রবিবার, ২০ মে, ২০১৮

দুধ নামে বিষ খাচ্ছেন অাপনি...?


অাপনি কি সচেতন বাংলাদেশের দুগ্ধ খামার থেকে শুরু করে দোকানের প্যা‌কেটজাত পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দুধ অত্যন্ত বিপজ্জজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়েরিয়াল ডিজিস রিসার্চ, বাংলাদেশ’র (আইসিডিডিআর,বি) গবেষকরা। তাদের এক নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারের পাস্তুরিত দুধের ৭৫ শতাংশের বেশি সরাসরি পানের জন্য নিরাপদ নয়। সম্প্রতি শিশুদের পুষ্টির প্রাথমিক উৎস বাণিজ্যিকভাবে পাস্তুরিত দুধ সম্পর্কে গবেষণা করে তারা এই অপ্রীতিকর ফল দেখতে পেয়েছেন। কেয়ার বাংলাদেশের আর্থিক সহায়তায় ‘স্ট্রেনদেনিং দ্য ডেইরি ভ্যালু চেইন (এসডিভিসি)’ প্রকল্পের আওতায় দুগ্ধ শিল্পের বিভিন্ন পর্যায়ে দুধের অণুজীব বিজ্ঞানগত মান যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে বগুড়া, গাইবান্ধা, নীলফামারী, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, রংপুর এবং সিরাজগঞ্জ জেলার ১৮ উপজেলায় এই গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এসব উপজেলার দুধ উৎপাদনকারী, হিমাগার, স্থানীয় রেস্তোরাঁ থেকে কাঁচা দুধের ৪৩৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া ঢাকা এবং বগুড়ার বিভিন্ন দোকান থেকে বাণিজ্যিকভাবে প্রক্রিয়াজাতকৃত দুধের ৯৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
সংগৃহীত এসব নমুনা পর্যালোচনা করে গবেষকরা দেখতে পান, প্রাথমিক দুধ উৎপাদনকারী পর্যায়ে ৭২ শতাংশ এবং ৫৭ শতাংশ নমুনা যথাক্রমে কোলিফর্ম ও ফিক্যাল কোলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দূষিত। নমুনা ১১ শতাংশ উচ্চ সংখ্যক ই-কোলাই দ্বারা দূষিত। ফিক্যাল কোলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং দুধে এই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির ফলে দুধ জীবাণু বা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস আক্রান্ত হয়, যা উষ্ণ রক্তের প্রাণীর মলে থাকতে পারে বা দুধ সংগ্রহের সময় দুধে মিশে যেতে পারে। উৎপাদনকারীদের থেকে দুধ সংগ্রহের স্থানে দেখা যায়, নমুনাগুলো উচ্চসংখ্যক কোলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দূষিত। এ ছাড়া ৯১ শতাংশ মল দ্বারা দূষিত এবং ৪০ ভাগ নমুনায় উচ্চসংখ্যক ই-কোলাই পাওয়া যায়। হিমাগারে সংগৃহীত নমুনাগুলোর দুধ সংগ্রহের স্থানের নমুনাগুলোর চেয়েও দূষণের হার বেশি দেখতে পাওয়া যায়। পাঁচটি জেলার ১৫ হিমাগারে সংগৃহীত নমুনাগুলো উচ্চমাত্রার কোলিফর্ম ও মলবাহিত কোলিফর্ম পাওয়া যায়। সবগুলো হিমাগার থেকে সংগৃহীত ৬৭ শতাংশ নমুনা ই-কোলাই দ্বারা উচ্চমাত্রায় দূষিত। এ ছাড়া বি.সেরেয়াস এবং স্ট্যাফাইলোকক্কির মতো আরও কিছু ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তবে এগুলোর মাত্রা স্বাভাবিক ছিল। গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন, দুধ উৎপাদনকারী থেকে শুরু করে হিমাগার এবং সবশেষে ভোক্তার কাছে সরবরাহকৃত দুধে ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরীক্ষিত পাস্তুরিত দুধের নমুনায় প্রায় ৭৭ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে, যা বিএসটিআইর মানদণ্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। অন্যদিকে, ৩৭ শতাংশ কোলিফর্ম এবং ১৫ শতাংশ মলবাহিত কোলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দূষিত ছিল। গবেষক দলের প্রধান ও আইসিডিডিআর,বির সহযোগী বিজ্ঞানী এবং ফুড মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরির প্রধান ড. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেন, দুধকে পানের জন্য নিরাপদ করে তুলতে পাস্তুরিত করা হয়। কিন্তু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় মানদণ্ডে পাস্তুরিত দুধে এ ধরনের মলবাহিত কোলিফর্মের উপস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বাজারের পাস্তুরিত কাঁচা দুধে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসব দুধ ভালোভাবে না ফুটিয়ে পান করা উচিত নয়। তিনি বলেন, দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, দুধের মূল গুণ অর্থাৎ পুষ্টিগত গুণাগুণ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। দুধের প্রাথমিক উৎপাদনকারী পর্যায়ে দূষণের সঙ্গে গরুর প্রজনন প্রক্রিয়া, গরুর দ্বারা উৎপাদিত দুধের পরিমাণ, দুধ দোহনের সময় এবং যিনি দুধ দোহন করে তার হাত ধোয়ার অভ্যাসের মতো বিভিন্ন বিষয় জড়িত। সবার জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর দুধ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যকরভাবে দুধ দোহন, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও পাস্তুরিত করার বিষয়ে যত্নবান হতে হবে। এ ছাড়া পানের জন্য দুধকে নিরাপদ রাখতে উৎপাদনের স্থান থেকে ভোক্তার টেবিল পর্যন্ত প্রত্যেকটি পর্যায়ে পাস্তুরিত দুধকে নিরবচ্ছিন্নভাবে শীতল রাখার পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি।

রবিবার, ৬ মে, ২০১৮

চঞ্চল চৌধুরী কতবার এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছেন ? জানলে অবাক হবেন!


তিনবার এসএসি পরীক্ষায় ফেল করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। শুনে কী অবাক হলেন ? ভাবছেন তো, এত বড় গুণী একজন শিল্পীর পড়াশোনায় এ কী হাল। অবাক হওয়ার কিছুই নেই। বাস্তবে নয়, ‘চম্পাকলি টকিজ’ নামে একটি ধারাবাহিকের চরিত্রের জন্য এমন ব্যর্থতার বোঝা মাথায় নিতে হয়েছে চঞ্চল চৌধুরীকে। চঞ্চলসেখানে দেখতে পাবেন, তিনবার ফেল করেও তিনি দমে যাননি।পছন্দের মানুষ নাদিয়ার চাওয়া পূরণ করতে আবারও বসেছেন পরীক্ষার হলে। এমন গল্প নিয়ে তৈরি হলো ধারাবাহিক নাটক ‘চম্পাকলি টকিজ’। এটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন হিমু আকরাম। কাল্পনিক অভিরামপুর গ্রাম আর সিনেমাপ্রেমী কিছু মানুষের গল্প নিয়েই এগিয়েছে নাটকটির কাহিনি। পুরো শুটিং হয়েছে ঢাকার অদূরে পূবাইলে। এই গল্পে গ্রামের কিছু অদ্ভুত চরিত্র দেখা যাবে। যাদের জীবন সিনেমার মতোই রঙিন। চঞ্চল চৌধুরী বিপরীতে অভিনয় করছেন-নাদিয়া। এছাড়া নাটকে আরো অভিনয় করেছেন, ফজলুর রহমান বাবু, প্রিয়া আমান, শাহনাজ খুশি, দিহান, ফারুক আহমেদ, আখম হাসান, হাসান মাসুদসহ অনেকে। নাটকটি প্রচার হবে আগামী ৭ মে থেকে প্রতি সোম ও মঙ্গলবার রাত ৭টা ৩৫ মিনিটে আরটিভির পর্দায়।

বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

টাকা দিয়ে বিষ কিনছেন না কি চিংড়ি...?

চিংড়ি কিনছেন তো কি দেখেনিন। চিংড়ি মাছে জেলি ইনজেক্ট করার পর তা আকারে বড় হয়ে যায়। ওজনও বেড়ে যায় কয়েকগুন। পরে রান্না করলে আবার আগের ছোট আকারই ধারণ করে। আমি বেশ কয়েকবার প্রতারিত হয়েছি এসব চিংড়ি কিনে।’ ব্যবসায়ীরা অল্প কিছু টাকা বেশি পাওয়ার জন্য এসব করছেন। কিন্তু ডাক্তাররা জানাচ্ছেন মানব দেহের জন্য কতটা ক্ষতিকারক এই জেলি। সাভার উপজেলা প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো আমজাদুল হক বলেন, চিংড়িতে ব্যবহৃত এসকল জেলি জীবননাশী। এগুলো মানুষের চোখ, কিডনি নষ্ট করে দিতে পারে। ধীরে ধীরে মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হতে থাকে এতে। চিংড়িতে জেলি পুশ করার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে সাভার উপজেলার সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা ফারহানা আহমেদ বললেন, ‘আমার প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করি। জেলি মেশানো চিংড়ি মাছ, জাটকা মাছ, রাক্ষুসে মাছসহ নিষিদ্ধ মাছ জব্দ করে বিক্রেতাকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হচ্ছে। অাপনি সচেতন হোন দেখুন প্রতিটি মানুষের সচেতনতাই প্রতিরোধ করবে প্রতারনা।

বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮

ঘরে বসে বানিয়ে ফেলুন রসমালাই....


অাসুন ঘরে বসে রসমালাই বানানোর উপায়- উপকরণঃ তরল দুধ- ৩ লিটার, গুড়ো দুধ- ২০০ গ্রাম, ডিম- ২টি, বেকিং পাউডার- ১/২ চা চামচ, ময়দা- ২ চা চামচ, চিনি-স্বাদমত (মাঝারি আকারের ৪ কাপ), এলাচ দানা গুড়ো করা- ৩ টি, ঘি-১/২ টেবিল চামচ, ভ্যানিলা এসেন্স- ৩ চা চামচ (গোলাপজল দিতে পারেন পরিবর্তে), পেস্তা বাদাম কুচি সাজানোর জন্য- ২চা চামচ। প্রস্তুত প্রণালী: * নন স্টিকার বা তলা ভারী এমন বড় একটি পাত্র নিন। এবার পাত্রে তরল দুধ ফুটাতে থাকুন। চিনি আর এলাচদানা গুড়োটাও দিয়ে দিন। এবং খুব কম আঁচে দুধ ২০ মিনিট ফুটাতে থাকুন। * এবার একটি বাটিতে গুড়ো দুধ, ময়দা, বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিন। ডিম দুটি ভেঙ্গে ফেটিয়ে এই মিশ্রণে মেশান। ঘি ও ভ্যানিলা অথবা গোলাপজল দিয়ে দিন। * সব একসাথে সুন্দর করে মিশিয়ে খামির বানান, খুব বেশি মাখবেন না। সব মিশে গেলেই হলো। প্রথমে খামিরটা হাতের সাথে আটকে আটকে যাবে আঠালো হয়ে, কিন্তু ৩/৪ মিনিট রেখে দিলেই দেখবেন সুন্দর খামির হয়ে গেছে, হাতের সাথে আর আটকাচ্ছে না। * এখান থেকে এবার ছোট ছোট বল বানান। বেশি বড় বানাবেন না। মার্বেলের চেয়ে ছোট বানালেই দেখবেন দুধে দেবার পর বলগুলো ফুলে দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। তাই ছোট বল বানান। * এতক্ষণে চুলায় দুধ ফুটানো হয়ে গিয়েছে। এই বলগুলো সাবধানে ফুটন্ত দুধের মাঝে আস্তে আস্তে ছেড়ে দিন। * চামচ বা কিছু দিয়ে নাড়বেন না। কয়েক মিনিট পর দেখবেন বলগুলো ফুলে উঠেছে। এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে আঁচ আরো কমিয়ে দিন এবং সর্বনিন্ম আঁচে রাখুন। * মৃদু আঁচে ২০ মিনিট রান্না করুন। কিছুক্ষণ পরপর পাত্রটা নাড়া দিয়ে দিন। ২০ মিনিট হয়ে গেলে চামচ দিয়ে একটি মিষ্টি তুলে দেখুন ভিতরে ভালভাবে সিদ্ধ হয়েছে কি-না। সিদ্ধ না হলে বেশি কাঁচা থাকলে কম আচেঁ আরো কিছুক্ষন রান্না করুন। * মাঝে মাঝে পাত্রটি সাবধানে ধরে ঝাকিয়ে দিন, যাতে তলায় ধরে না যায়। * যদি মিষ্টির ভিতরে সামান্য একটু কাঁচাভাব থাকে আরো কয়েক মিনিট চুলায় রেখে দিন। চুলা নিভিয়ে পাত্র ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখলেও ভেতরের তাপেই আরো ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে যাবে। * মালাই আরেকটু ঘন করতে চাইলে আরো কিছুক্ষন কম আচেঁ চুলায় রাখতে পারেন, শুধু মাঝে মাঝে পাত্রটি একটু ঝাকিয়ে দিন যাতে তলায় ধরে না যায়। ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন মজাদার রসে ভরা রসমালাই। পরিবেশনের আগে পেস্তা বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিন মিষ্টির ওপরে। চাইলে গরম গরমও খেতে পারেন।মজার খাবার তৈরি করে তা পরিবেন করুন প্রিয়জনকে।

বৃহস্পতিবার, ৫ এপ্রিল, ২০১৮

শরীরের সবথেকে নোংরা জায়গা কোনটি....?

জেনে নিন বিস্তারিত:- ১। নাভি আসলে শরীরের একটি ক্ষত। চিকিৎসকরা শিশুর জন্মের সময় মায়ের শরীরের থেকে সন্তানকে আলাদা করেন। তাতেই তৈরি হয় এই ক্ষত। ২। নাভি কুণ্ডলী সাধারণত ভিতরের দিকেই থাকে। মাত্র ৪ শতাংশ মানুষের নাভি কুণ্ডলী বাইরের দিকে। ৩। বিশেষত মেয়েদের নাভি সুন্দর । বছরে বিশ্বের প্রায় ২ লক্ষ মানুষ নাভি কুণ্ডলীকে প্লাস্টিক সার্জারি করে বাইরে থেকে ভিতর দিকে ঢোকান। ৪। নাভি শরীরে সবথেকে নোংরা এলাকা। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৬৭ রকমের ব্যাকটেরিয়া থাকে নাভিতে। ৫। পোশাকের কারণ নাভি নোংরা হয়। কারণ, সেখানে জামা কাপড়ের রোঁয়া লেগে যায়। ৫। ভারতীয় সনাতন যোগশাস্ত্রে শরীরে ৭টি চক্রের কথা বলা হয়। তার মধ্যে অন্যতম নাভি চক্র। ৬। হিন্দু পুরাণ বলে বিষ্ণুর নাভিপদ্ম থেকেই মানবের সৃষ্টি। ৭। গবেষকরা মনে করেন নাভি যে স্থানে থাকে তার উপরেই মানুষের সাঁতার কাটা বা দৌড়নো নির্ভর করে। ৮। বলা হয়, আদম ও ইভের নাভি ছিল না। কারণ তাঁরা তো মাতৃজঠরে জন্মাননি।

মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৮

Bangladesh বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছুআয় কত....?


বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ১৪২ ডলার বেড়েছে। বর্তমানে মাথাপিছু আয় এক হাজার ৭৫২ ডলার। এর আগে এই আয় ছিল এক হাজার ৬১০ ডলার। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনকক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থাৎ এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মানুষের গড় আয় বছরে এক লাখ ৪২ হাজার ৯১২ টাকা (প্রতি ডলার ৮১ টাকা হিসাবে)। আর এক বছরে এই আয় বেড়েছে ১১ হাজার ৫০২ টাকা। মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকার দেশজ উৎপাদন-জিডিপির বৃদ্ধির যে হার নির্ধারণ করেছিল, প্রকৃত প্রবৃদ্ধি তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে। অর্থ বছরের প্রথম ১০ মাসে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.৬৫ শতাংশ হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রীকে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। চলতি অর্থবছরের বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে ৭.৪ শতাংশ। অর্থাৎ আগামী দুই মাসে উৎপাদন বৃদ্ধির এই হার অব্যাহত থাকলে প্রবৃদ্ধির হার লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে যাবে। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এর হার ছিল ৭.২৮ শতাংশ। সরকার একে আট শতাংশে উন্নীত করতে চায়। একনেকের বৈঠকে এই দুটি উন্নতির তথ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছাও জানান পরিকল্পনামন্ত্রী। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত একনেকের বৈঠক চলছিল। আর বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।

মঙ্গলবার, ৬ মার্চ, ২০১৮

পড়া মনে রাখার কৌসল দেখুন....


পড়া মনে রাখবেন যেভাবে: (১)অধ্যবসায়ে গভীর অাগ্রহের সাথে মনোনিবেশ এবং জিদ্দি মনোভাব থাকা, যে অবশ্যই অামাকে মুখস্ত করতে হবে। (২)বার বার শব্দ করে পড়ার মাধ্যমে মুখের জড়তা কেটে ফেলা এবং উচ্চারনের সঠিক বাচনভঙ্গির দিকে নজর দেয়া। (৩)কোন বিষয় সম্পূর্নরূপে জানা গেলে বেশি বেশি মনে থাকে তাই পুরোপুরি ভাবে জানার চেষ্টা করা। (৪)যে বিষয় অাপনার মনে রেখাপাত করবে তা খুব সহজেই মনে থাকবে। (৫)অর্থপূর্ন ভাবে খেয়াল করা যুক্তিসংগত ও সুশৃংঙ্খল শিখা পদ্ধতির মাধ্যমে মুখস্ত করা সহজ, এবং তা সুন্দরভাবে পাঠনের দ্বারা সহজেই মনে থাকে। (৬)অাপনার ইচ্ছাশক্তি, অাপনার মাঝে গভীর অাগ্রহ ওপ্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে। (৭)অাত্নবিশ্বাসের সাথে কর্মে কঠোর উদ্দমী হতে হবে। তাহলে কঠিন বিষয় টিও অাপনার কাছে সহজ বলে মনে হবে।অার তখনই মুখস্ত করারস্পৃহা বৃদ্ধি পাবে। এ মুখস্ত সহজে ভূলবেন না।.......!!!

দুধ নামে বিষ খাচ্ছেন অাপনি...?

অাপনি কি সচেতন বাংলাদেশের দুগ্ধ খামার থেকে শুরু করে দোকানের প্যা‌কেটজাত পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দুধ অত্যন্ত বিপজ্জজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন...