শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৭

পৃথিবীতে নতুন অশান্তি ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে 'ভয়াবহ পরিনতি' ডেকে অানবে বলে শঙ্ক প্রকাশ...!


ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে বেশ শঙ্কিত সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা। এ বিষয়ে নিজেদের প্রতিক্রিয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা। জেরুজালেমে ইসরায়েলের রাজধানী স্থানান্তর ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ডেকে আনবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জর্ডান। একই ধরনের প্রতিক্রিয়া তুরস্কেরও। শুক্রবার এ নিয়ে আলোচনায় বসবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। তবে বৃহস্পতিবার ‘হানুককাহ’ উৎসব পালনের সময় হোয়াইট হাউসের ভেতরে বেশ করতালি পেয়েছেন ট্রাম্প। সে সময় উপস্থিত ছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তটি কিন্তু বেশ পুরোনো। ১৯৯৫ সালেই মার্কিন কংগ্রেস অনুমোদিত এক আইনে ইসরায়েলের মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে স্থানান্তর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সাবেক সব প্রেসিডেন্টই ক্ষমতায় থাকাকালীন ওই প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার জন্য স্বাক্ষর করেন। ফিলিস্তিনের বাইতুল মোকাদ্দাস (জেরুজালেম) শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার যে ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিয়েছেন তার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে রাশিয়া। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাইতুল মোকাদ্দাসকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংকটের জন্ম দিয়েছেন। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সবগুলো প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানায় রাশিয়া। সেইসঙ্গে আরব দেশগুলোর শান্তি পরিকল্পনার প্রতিও রাশিয়ার সমর্থন রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, ট্রাম্প বাইতুল মোকাদ্দাসের ব্যাপারে যে ঘোষণা দিয়েছেন তা একটি একতরফা পদক্ষেপ এবং এই ঘোষণা শান্তির পক্ষে যাবে না। বাইতুল মোকাদ্দাস শহরে রয়েছে মুসলমানদের প্রথম ক্বেবলা আল-আকসা মসজিদ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে বাইতুল মোকাদ্দাস বা জেরুজালেম শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের হাতে অধিকৃত শহর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কাজেই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি দখলীকৃত শহরকে ইসরাইল নিজের রাজধানী হিসেবে ব্যবহার করতে পারে না বলে বিশ্বের স্বাধীনচেতা প্রতিটি মানুষ মনে করছেন। এ ছাড়া, এই শহরে রয়েছে মুসলমানদের প্রথম ক্বেবলা আল-আকসা মসজিদ। ফিলিস্তিনি জনগণ বলছেন, এই শহর ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং অন্য কোনো দেশ বা জাতির পক্ষে এর মালিকানা দাবি করার বিন্দুমাত্র অধিকার নেই।

দুধ নামে বিষ খাচ্ছেন অাপনি...?

অাপনি কি সচেতন বাংলাদেশের দুগ্ধ খামার থেকে শুরু করে দোকানের প্যা‌কেটজাত পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দুধ অত্যন্ত বিপজ্জজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন...