বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৮

টাকা দিয়ে বিষ কিনছেন না কি চিংড়ি...?

চিংড়ি কিনছেন তো কি দেখেনিন। চিংড়ি মাছে জেলি ইনজেক্ট করার পর তা আকারে বড় হয়ে যায়। ওজনও বেড়ে যায় কয়েকগুন। পরে রান্না করলে আবার আগের ছোট আকারই ধারণ করে। আমি বেশ কয়েকবার প্রতারিত হয়েছি এসব চিংড়ি কিনে।’ ব্যবসায়ীরা অল্প কিছু টাকা বেশি পাওয়ার জন্য এসব করছেন। কিন্তু ডাক্তাররা জানাচ্ছেন মানব দেহের জন্য কতটা ক্ষতিকারক এই জেলি। সাভার উপজেলা প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো আমজাদুল হক বলেন, চিংড়িতে ব্যবহৃত এসকল জেলি জীবননাশী। এগুলো মানুষের চোখ, কিডনি নষ্ট করে দিতে পারে। ধীরে ধীরে মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হতে থাকে এতে। চিংড়িতে জেলি পুশ করার ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে সাভার উপজেলার সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা ফারহানা আহমেদ বললেন, ‘আমার প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করি। জেলি মেশানো চিংড়ি মাছ, জাটকা মাছ, রাক্ষুসে মাছসহ নিষিদ্ধ মাছ জব্দ করে বিক্রেতাকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হচ্ছে। অাপনি সচেতন হোন দেখুন প্রতিটি মানুষের সচেতনতাই প্রতিরোধ করবে প্রতারনা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দুধ নামে বিষ খাচ্ছেন অাপনি...?

অাপনি কি সচেতন বাংলাদেশের দুগ্ধ খামার থেকে শুরু করে দোকানের প্যা‌কেটজাত পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দুধ অত্যন্ত বিপজ্জজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন...