শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

Rohingya দের রাখাইনের ঘরবাড়ি পুড়ে দেয়ার স্যাটেলাইট এ প্রমান মিলছে.....

স্যাটেলাইটে রাখাইনের ছবি সংগ্রহের পর মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, সহিংসতায় উত্তর রাখাইনের চার শতাধিক গ্রামের অর্ধেকের বেশি পুড়ে গেছে। বাংলাদেশে পাড়ি জমানো রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ করেছেন।
তারা বলছেন, তাদের রাখাইন ছাড়া করতেই এ অভিযান পরিচালনা করছে।
রাখাইনের কিছু বর্বরতা পুড়িয়ে দেয়া ঘর বাড়ি সুচি তথা মায়ানমার সরকারের মিথ্যাচার এর জ্বলন্ত প্রমান এটাই দেখুন  ছবি গুল এক নজর।
Rohingya
satellite image Rohingya
Satellite  image  Rohingya


মায়ানমার  সরকার  অগ্নিকার্য  বর বরতা  ধর্ষন  হত্যা লুন্ঠন  একদিন  প্রকৃতি ই এর প্রকৃত জবাব দিবেন।
মানবতার প্রতি জুলুম অত্তাচার নিশ্চয়ই  অাল্লাহ সয্য করবেন না ।হে পরম করুনাময় অাল্লা তুমি নিশ্চয়ই এ বর বর সরকারি  অত্যাচারী তান্ডব কে প্রতিহত  কর নয় মানবতা  রক্ষা কর  
"অামিন" Blogger monju

রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

Rohingya রোহিঙ্গা দের সম্পর্কিত এ ছবিটি প্রমান করেজে মিয়ানমার সরকার মিথ্যাচার করছে অাসলে তারা প্রকৃক মায়ানমারের নাগরিক।


                                                                                          ।   ROHINGYA 

 

ইতিহাস সাক্ষী হয়ে অাছে দেখুন রোহিঙ্গা অাসলে কারা তাদের পরিচয় এখানে প্রমানিত এর পরেও কি কোন প্রশ্ন থাকা যুক্তিসংগত..?
১৯৩৬ সালে তোলা একটি ঐতিহাসিক ছবি। স্থান- তৎকালিন রেঙ্গুন বিশ্ব বিদ্যালয়, বার্মা। ছবিতে মাঝখানে চেয়ারে পা তুলে বসে আছেন একজন রোহিঙ্গা, তার নাম আবদুর রশীদ। তিনি ছিলেন অল বার্মা স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সভাপতি এবং তার ডান পাশে বসে বসে থাকা লোকটি সুচির পিতা অং সান ওই সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক। বাম পাশে যিনি বসে আছেন তিনি আবদুর রাজ্জাক, বার্মা মুসলীম লীগের সভাপতি। মূলত বার্মার স্বাধীনতা এসেছিলো তাদের হাত ধরেই। আর এই রোহিঙ্গা সভাপতি আবদুর রাজ্জাক আজকের মিয়ানমারের সংবিধানের খসড়া প্রণয়নকারী।



 অথচ জেনারেল মিন অং হিয়াং এবং অং সান সুচি উভয়েই জাতি ঘৃনার প্রকাশ ঘটাতে গিয়ে কার্যত বার্মার রাজনৈতিক ইতিহাসকেই অস্বীকার করলেন।
সুচির বাবা জেনারেল অং সানের অন্যতম রাজনৈতিক সহযোগী ছিলেন আবদুর রাজ্জাক এবং জেনারেল অং সানের গঠিত বার্মার স্বাধীনতা পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার শিক্ষা ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন আবদুর রাজ্জাক। ১৯৪৭ এর ১৯ জুলাই জেনারেল অং সানের সাথে যে ৬ জন মন্ত্রী খুন হন তাদের মধ্যে আবদুর রাজ্জাক অন্যতম।



 বার্মা আজও রাষ্ট্রীয়ভাবে ১৯ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে। কেবল আবদুর রাজ্জাকই নন, সুচির বাবা এবং বার্মার জাতির পিতা জেনারেল অং সানের সবচেয়ে ঘনিষ্ট রাজনৈতিক সহযোগীদের মধ্যে আরও অনেক মুসলমান ছিলেন। সূত্র : ইউকিপিডিয়া, ইন্টারনেট।Blogger_monju





শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

প্রতিদিন ইন্টারনেট,ওয়েবসাইট, ব্লগিং এর জনপ্রিয়তা বারছে...


প্রতিনিয়ত মানুষ ইন্টরনেট ওয়েব সাইট,ব্লগি দুনিয়ার জনপ্রিয়তা ও প্রয়জনিয়তা উপলব্দি করছে। একটা সময় প্রযুক্তিবিদ্যা বা ইন্টরনেট সম্পর্কে মানুাষ ভূল ধারনা ছিল। অাজ কম্পিউটার,এস্মাট ফোন,অাইফোন,ট্যাব মানুষের ধারনা এবং প্রয়জনিয়তা জরুরী  হয়ে দেখাদিয়েছে।
ইন্টারনেটে ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের হার বেড়ে ৩৩১.৯ মিলিয়নে দঁড়িয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল, মে ও জুন- এ তিন মাসে সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ১৩ লাখ ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

এ হার চলতি বছরের প্রথম তিন মাসের চেয়ে ০.৪ শতাংশ বেশি।
ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে মানুষ ডট কম ও ডট নেটকেই বেশি বেছে নিচ্ছে। এরইমধ্যে এ দুই নামে ১৪৪.৩ মিলিয়ন ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে।

ইন্টারনেটে নিরাপত্তা ও ডোমেইন নামের ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান ভেরিসাইন এসব তথ্য দিয়েছে। প্রতি বছর ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন ২.১ শতাংশ হারে বাড়ছে যা সংখ্যায় ৬৭ লাখ। সূত্র : হিন্দুস্থান টাইমস

সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

Bangladesh এ বছর নোবেল শান্তি পুরষ্কারের মননীতদের দশ জনের তালিকায় সেখ হাসিনার নাম......


Bangladesh এখন সকলের কাছে অালচোনার বিষয় কারন
মিয়ানমার এ রোহিঙ্গাদের অাশ্রয় দিয়ে এবার সেখ  হাসিনার
 এবং বাংলাদেশের হতে চলছে নতুন গৌরবের একটি অধ্যায়
এরই মধ্য গুনজন চলছে এখন সুধুই অপেক্ষার প্রহর।
এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনীতদের সংক্ষিপ্ত দশজনের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৬ অক্টোবর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করবে। ওই দিনই নোবেল কমিটি এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ৩১৮ টি নাম আসে। এটি নোবেল শান্তি পুরস্কারের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাম। গত বছর ৩৭৬ জনের নাম এসেছিল। নোবেল কমিটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে মনোনয়ন প্রস্তাব গ্রহণ করে। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখের মধ্যে তারা তাদের প্রস্তাব জমা দেন। নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০১৭ এর জন্য মনোনীতদের মধ্যে ২১৫ জন ব্যক্তি এবং ১০৩ প্রতিষ্ঠান। মার্চে এই তালিকা থেকে যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে তা প্রেরণ করা হয় উপদেষ্টা মূল্যায়নের জন্য। জুলাই মাসে উপদেষ্টা মূল্যায়ন চূড়ান্ত হয়। উপদেষ্টা মূল্যায়নের ভিত্তিতে সংক্ষিপ্ত একটি তালিকা উপস্থাপিত হয় কমিটির কাছে। কমিটি সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে পুরস্কার প্রদান করেন।

নোবেল কমিটি কখনো নামের তালিকা বা সংক্ষিপ্ত তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনা। তবে, যারা মনোনয়ন দেন এবং বিভিন্ন সূত্রে সংক্ষিপ্ত তালিকা বেরিয়ে আসে।

এবার নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নাম আছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তাঁর জিরো টলারেন্স এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে তিনি শান্তির এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। সংক্ষিপ্ত তালিকায় সিরিয়ার শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের নামও রয়েছে। এছাড়াও সিরিয়ার শরণার্থীদের উদ্ধার কাজে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী গ্রুপ হোয়াইট হেলমেটও আছে সংক্ষিপ্ত তালিকায়।

আমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন এর নেতা সুসান এন হারম্যানের নামও সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছে। মার্কিন পিস গ্রুপ কোড পিঙ্ক এবং ‘গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ’ মানবাধিকার গ্রুপ এর সহ প্রতিষ্ঠাতা মেডা বেঞ্জামিনও নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন। নরওয়ের শান্তি শিক্ষাবিদ জন গ্যালটাঙ্গের নাম সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছে। তিনি শান্তিবাদী তরুণ সমাজ বিনির্মাণের আন্দোলনের একজন প্রবক্তা। এছাড়াও শান্তি সংগঠন ‘ওয়ান বিলিয়ন অ্যাক্ট অব পিস’, পোপ ফ্যান্সিসের নাম সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছে বলে জানা গেছে।

#Blogger_monju

মিয়ানমারের লম্পট সেনাপ্রধান এর নারী কেলেঙ্কারি porn সাইট সহ সকল তথ্য ফাঁস....!


মিয়ানমারের  লম্পট খারাপ বর-বর একজন মানুষ হলেন সেনাপ্রধান।যাকে নাকি মিয়ামার এর সকলে তো বটেই নোবেলজয়ী সুচিও ভয় করেন। প্রতি নিয়ত porn সাইটি ভিজিট করেন porn সাইটে তার অানাগোনা রয়েছে।
 সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে নারী
কেলেংকারি খবর ফাঁস করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ‘ দ্যা নিউজ উইক’। মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হিলাইং এর ব্যক্তিগত জীবনের ওপর বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ‘ দ্যা নিউজ উইক’। চরিত্রগত ব্যাক্তিগত জীবনের গোপন খবরা খবর ফাঁস হওয়ায় সেনাপ্রধান মিন অং হিলাইং লজ্জিত বোধ টুকু অাছে কি...?
এমন হাজার প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনে...জনে।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হিলাইং পরনারী এবং মাদকে আসক্ত। তার কমপক্ষে ৬ জন সুন্দরী নারীর সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক রয়েছে, সুচির সাথেও গোপন সম্পর্ক অাছে বলে কেউ কেউ মনে করেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমারের কোন গণমাধ্যম কিছু লিখতে সাহস পায়নি বলেও নিউজ উইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের রাখাইনদের ওপর সহিংসতা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ এবং ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে পুরো পৃথিবী জুড়েই সমালোচনার মুখে পড়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং হিলাইং।

বার্মিজ আর্মির সিনিয়র জেনারেল পদমর্যাদার এ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক উঠে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ‘ দ্যা নিউজ উইক’এর প্রতিবেদনে।এক কথায় রহস্যজনক ব্যাপার হলেও কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না বর-বর এ পিসাচ চরিত্রের  সেনাপ্রধান  এর বিরুদ্ধে কিছু বলতে বা লিখতে।

এদিকে, গতকাল শনিবার মিয়ানমারের সেনাপ্রধান দেশবাসীর প্রতি রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে এক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এই দেশে তাদের কোনো শেকড় নেই।

জেনারেল মিন অং হায়াং তার সরকারি ফেসবুক পেজে বলেন, উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে তাদের নির্মূল অভিযানের লক্ষ্য রোহিঙ্গা জঙ্গিদের বের করে দেয়া—যারা গত ২৫ আগস্ট পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছিল।

তিনি বলেন, তারা রোহিঙ্গা হিসেবে স্বীকৃতি চাচ্ছে। কিন্তু তারা কখনই মিয়ানমারের জাতিগত গ্রুপ নয়। আর আমাদের এই সত্য প্রতিষ্ঠায় এক হওয়া উচিত।

তবে রাখাইন রাজ্যের এ সহিংসতা পুরো সীমান্তকে গ্রাস করে নিয়েছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা, লুন্ঠন, জ্বালাও পোড়াওয়ের কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম নিজের ভিটে মাটি ছেড়ে বাংলাদেশে পাড়ি জমাচ্ছে।

এ পর্যন্ত চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ নেতৃবৃন্দ একে জাতিগত নিধন হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এখন সেরা ইউটিউবার খুঁজছে বাংলালিংক Bangladesh.....!


কথায় অাছে" যে দেশে গুনের সমাদর নাই সে দেশে গুনি  জন্মাতে পারেনা" অামাদের দেশের তরুন প্রজন্ম
এগিয়েছে অার ভালকিছু করার জন্য এদিকে সরকারি এবং বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান কে অার এগিয়ে অাসতে হবে দিতে হবে প্রশিক্ষণ। অার এর ফলে দেশ জাতি এবং প্রতিটি মানুষ তার সুফল ভোগ করবে।

সেরা ইউটিউবার খুঁজছে বাংলালিংক। এজন্য ‘বাংলালিংক নেক্সট টিউবার’ নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সেরা তিনজন ইউটিউবারকে বেছে নেয়া হবে। যারা পুরস্কার হিসেবে বিপুল পরিমান অর্থ ও আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে এই প্রতিযোগিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলালিংক। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের চিফ ডিজিটাল অফিসার সঞ্জয় ভাগাসিয়া, বাংলালিংকের হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশনস আসিফ আহমেদ এবং বাংলালিংকের ই-অ্যাঙ্গেজমেন্ট মার্কেট (ডিজিটাল) এর প্রধান মুকিত আহমেদসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

সঞ্জয় ভাগাসিয়া এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য ও লক্ষ তুলে ধরে বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রতিভাবান ভিডিও কনটেন্ট নির্মাতাদের বেছে নেয়া হবে। সুনিয়ন্ত্রিত নির্বাচন প্রক্রিয়া, অভিজ্ঞদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের দিয়ে তরুণ ইউটিউবার তৈরি করা হবে। এদের মধ্যে যিনি প্রথম হবেন তাকে বাংলালিংকের ডিজিটাল অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত করার পাশাপাশি সিঙ্গাপুরে গুগলের হেড কোয়ার্টারে প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়া হবে।’

মুকিত আহমেদ জানান, আজ থেকে এই প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহ এর নিবন্ধন চলছে। যাদের ইউটিউব অ্যাকাউন্ট আছে তারা একটি ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। তবে যেসব ইউটিউবারদের ৪০ হাজারের বেশি সাবস্ক্রাইবার আছে তারা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না। নিবন্ধন শেষে সেরা ২০ জন বেছে নেয়া হবে। যাদেরকে গ্রুমিং করবেন দেশ সেরা ইউটিউবার সালমান মুক্তাদির আরও চারজন ইউটিউবার। সেখান থেকে বেছে নেয়া হবে ১০ জন। পর্যায়ক্রমে সেরা তিনজন অংশ নেবেন চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায়। যাদের মধ্যে বিজয়ী পাবেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও সিঙ্গাপুরে গুগলের হেড কোয়ার্টারে প্রশিক্ষণের সুযোগ। প্রথম রানার্স আপ পাবেন ১ লাখ টাকা। দ্বিতীয় রানার্স পাবেন ৭৫ হাজার টাকা। এছাড়াও বাংলালিংক এক বছর তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে ভিডিও কনটেন্ট প্রকাশনা ও প্রচারে সহায়তা করবে।

প্রতিযোগিতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে আসিফ আহমেদ বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক অংশ নিতে পারবেন। এজন্য কোনো এন্ট্রি ফি দিতে হবে না। প্রতিযোগিকে ইউটিউবে একটি ভিডিও আপলোড করে ভিডিওটির ইউআরএল এন্ট্রি হিসেবে ‘বাংলালিংক নেক্সট টিউবার’-এর ওয়েবসাইটে (www.bangalink.net/en/next-tuber) সাবমিট করতে হবে।’ অামরা অাশা করি সামনের দিন গুলি পথ চলায় এমন অার হাজার প্রতিষ্ঠানিক কোম্পানি গুল এগিয়ে অাসবে  এমনটাই কাম্য।

Bloggermonju.blogspot.com

শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

এ বিদায় অাদরের স্পর্শের...!


স্নেহের সোনামণি অার কাঁদবে না.....!
জীবনের হাসি কান্না বড়ই কষ্টের, এমন কষ্টর  এই ছবিটি পিসাচ চরিত্রের বর-বর মানবগার দৃষ্টান্ত।
ছবির রোহিঙ্গা শিশুটি যেন ঘুমিয়ে পড়েছে মায়ের আদরের স্পর্শে। যেন খানিক বাদেই জেগে উঠবে সে, কান্নাকে ভাষা বানিয়ে জানিয়ে দেবে এই পৃথিবী তারও! মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি’র চিত্রগ্রাহক তার ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করেছেন সদ্যজাত শিশুর মরদেহ কিংবা বিপন্ন মানবতার এই আর্তনাদকে। আর ছবি প্রকাশের কিংবা শিশুদের প্রতি সংবেদনশীলতার আন্তর্জাতিক রীতিনীতি ভেঙে সিএনএন-এর মতো প্রধান ধারার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও এগুলো প্রকাশ করেছে। সেই ধারাবাহিকতাতেই ছবিগুলো পাঠকের সামনে আনার সিদ্ধান্ত বাংলা ট্রিবিউনের। প্রথাগত ব্যাকরণ ভেঙে এই ছবি প্রকাশের মাধ্যমে পৃথিবীর সবথেকে বিপন্ন এক জনগোষ্ঠীর প্রতি নিজেদের সর্বাত্মক সংহতি প্রকাশ করছি আমরা। জানাচ্ছি আমাদের সর্বোচ্চ সমর্থন।




সাইবার স্পেসের মুক্ত পরিসর এই ছবিকে ছড়িয়ে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে। ছবিটি যেন সমগ্র রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মৃত্যুময় বাস্তবতাকে সামনে এনে হাজির করেছে। সদ্যজাত এই শিশুটির মৃত্যু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না মা হামিদা বেগম।
মিয়ানমারে নিরাপত্তা বাহিনীর চলমান রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই মিলতে থাকে বেসামরিক নিধনযজ্ঞের আলামত। পাহাড় বেয়ে ভেসে আসতে শুরু করে বিস্ফোরণ আর গুলির শব্দ। পুড়িয়ে দেওয়া গ্রামগুলো থেকে আগুনের ধোঁয়া এসে মিশতে থাকে মৌসুমী বাতাসে। মায়ের কোল থেকে শিশুকে কেড়ে শূন্যে ছুড়তে থাকে সেনারা। কখনও কখনও কেটে ফেলা হয় তাদের গলা। জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় মানুষকে। আহত শরণার্থী হয়ে তারা ছুটতে থাকে বাংলাদেশ সীমান্তে। জাতিসংঘের হিসাবে, প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। তাদেরই একজন হামিদা।



জাতিগত নিধনযজ্ঞ থেকে বাঁচতে শিশু সন্তানদের নিয়ে স্বামীর সঙ্গে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন হামিদা। তবে ছোট নৌকায় অনেক মানুষ ওঠার কারণে প্রায়ই নৌকা ডুবে যায়। কখনও কখনও তাদের মরদেহও পাওয়া যায় না বলে জানান বিজিবির এক কর্মকর্তা। হামিদারও বাস্তবতা একই রকমের। পথে পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক বিপদ। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তার একমাস বয়সী সন্তান আব্দুল মাসুদের।
এপির একজন চিত্রগ্রাহী ফ্রেমে বন্দি করেন সকরুণ এই মুহূর্তগুলো। ছবিগুলো এরইমধ্যে জাগিয়ে তুলতে শুরু করেছে বিশ্ববিবেককে। অামরা সুন্দর একটি পৃথিবী চাই অার চাই মানুষের বিষধর সাপের মত ছোবলের পরাজয়। অার কত লাশ চাই অার কত রক্ত হলে মানুষের হিংসার পরি সমাপ্তি ঘটবে।

এমন একজন মানুষ জিনি চাইলেই বন্ধ হবে রোহিঙ্গা নিপিরন....!

একজন মানুষ যার নির্দেশে ই বন্ধ হতে পারে Rohinga...তান্ডব....!
পৃথিবী অাজ বারুদখানা হয়ে জ্বলছে। অামরা মেতেছি মরন খেলায়...! 
সভ্যতা অজ অসভ্য অাচারন এরা কি মানুষ...?
সুচি মুলত এখানে নিরব, সহজ কথায় মায়ানমারের গঠনতন্ত্র এখন সেনাবাহিনী তথা মায়ানমার নিয়ন্ত্রণ করে
সেনাবাহিনী গত দিনগুলি (গত১৫বছর ) সুচি গৃহবন্ধি থাকলেও বর্তমানে সেনাবাহিনী এবং সকল মতামতে সুচি দেশটির সেনানায়ক এর সাথে তাল মিলিয়ে চলার পথ বেঁছে নিয়েছেন। সুচির মতামতে কোন তথাৎ দেখাগেলে দেশটিতে সামরিক শাসক অাবার মাথাতুবে বলে সুচির ঘনিষ্ঠজন মনেকরেন।
বেশ কিছু তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত রাখাইন রাজ্যে মারা যাচ্ছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম। গত দুই সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ৩ হাজারেরও বেশি বাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এই সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ২ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।
অথচ এসব হত্যা আর নৈরাজ্য থেমে যেতে পারে শুধু একজনের নির্দেশেই। যার সরাসরি নির্দেশে চলছে এই গণহত্যা তিনি হলেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইয়াং।অাল্লাহ নিশ্চই অাছেন তিনি মঙ্গল কারি।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সেদেশের নোবেল জয়ী অং সান সু চির দিকে তাকিয়ে থাকলেও প্রকৃত ক্ষমতা আসলে এই সেনাপ্রধানের হাতে।মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা নিপিরন বন্ধ করুক এমন দিনরাত্রি প্রার্থনা প্রতিটা মানুষের।অামরা সুন্দর একটি সকাল চাই...!
চাই মানবতার বিজয়...!
অচিরেই হাসি ফুটুক প্রতিটা প্রানে।
#blogger_monju



শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

Whey are the Rohingya....? রোহিঙ্গা Rohingya কারা..?


রোহিঙ্গা Rohinga ১৪৩০ খ্রিষ্টাব্দে অারাকানে মুসলমান দের অাগমন ঘটে। অারাকানের রাজা বৌদ্ধ ধর্মের হলেও তার মূদ্রার একপাশে অারবিতে কালেমা লেখা থাকত।অারাকান রাজার রাজ দরবারে কাজ করত অনেক বাংঙ্গালী মুসলমান  । বাংলার সাথে অারাকানের ছিল অনেক গভীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সু-সম্পর্ক।ধারনা করাহয় রাজার  মুসলমান শৈন্য-সমান্তর প্রতি গভীরতম সম্পর্ক থেকে একটি শহর এর নাম রোয়াং উপহার দেন। যেখানে মুসলিম নাবিক,শৈন্য -রাজ কর্মিরা এস্থানিয় নারীদের বিবাহ করে বসবাস শুরুকরে। রোয়াং নাম থেকে কালক্রমে মুসলিম বসবাস কারী দেরকে রোয়াইঙ্গিয়া  এর পর রোহিঙ্গা নামের উৎপত্তি।রোহিঙ্গা Rohingya  মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তর অংশে বসবাস কারী জনগোষ্ঠী।

রোহিঙ্গা (Rohingya)১৮২৬ সালের পর থেকে ব্রিটিশ শাসনামলে তিন ধাপে ধীরে ধীরে মুসলিম বসতি স্থাপন শুরু হয়। ১৮৯১ সালের ব্রিটিশ আদমশুমারি অনুযায়ী, আরাকানে তখন মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৫৮,২৫৫ জন, যা ১৯১১ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১,৭৮,৬৪৭ জনে।  বর্তমানে মায়ানমার সরকারী হিসেব মতে প্রায় অাট লক্ষ রোহিঙ্গা অারাকানে বসবাস করে।


মায়ানমার সরকারের মতে"রোহিঙ্গা হল বাংলাদেশী "তারা মনে করেন রোহিঙ্গা অবৈধ ভাবে মায়ানমারে বসবাস করছে। কিন্তু ইতিহাস বলে ভিন্ন কথা, রোহিঙ্গা কয়েক শতাব্দীকাল ধরে বসবাস করে অাসছে। মূলকথা রোহিঙ্গা বাংলাদেশি মুসলমান ও স্থানিয় অারাকানিদের সংমিশ্রনে সংকর জাতী।অনেকে মঙ্গলিয়া জাতি বলে ধারনা করেন।


ইতিহাস থেকে জানাযায় যে ফারাসি বারহাম নাম থেকে এসেছে ইংরেজি"বারমা" নামটি। পরবর্তীকালে বার্মা নামটি পাল্টে "মিয়ানমার" নাম করন কর হয়। মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসাবে স্বীকার না করায় সকল প্রকার নাগরিক ও মৌলিক সুবিধা হতে রোহিঙ্গারা বঞ্চিত। জাতিসংঘের তথ্য মতে রোহিঙ্গারা বর্তমানকালে বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত এবং ভূমিহিন রাষ্ট্রবিহিন জনগোষ্ঠী।


মায়ানমার সরকারি ভূমি ও সম্পত্তি অাইন অনুসারে বিদেশীরা কোন সম্পত্তি ও ভূমির মালিক হতে পারেনা। রোহিঙ্গা মায়ানমার সরকারের দৃষ্টিতে অবৈধ এবং বিদেশী। বর্তমানে যে সকল ভূমিতে রোহিঙ্গা বসবাস করছে মায়ানমার সরকার যে কোন মূহির্তে তা দখল করে অগ্নকান্ড,লুটপাট করে নিতেপারে অাইনত কেন জবাব দিতেহয় না।
মায়ানমার সরকারী অাইনে রোহিঙ্গা ভূমি হিন দেশ হিন ভাসমান যাযাবর এক জাতীর নাম। মায়ানমারে রোহিঙ্গা সরকারী কোন চাকরী পায়না।রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী  এমন কি সরকারি বেসরকারি  স্কুল,ব্যাংক,হাসপাতাল,বিমা সহ সকল প্রকার নাগরিক ও মৌলিক সবিধা সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়।প্রায় ৮০% রোহিঙ্গা বাস্তবিক অর্থে অশিক্ষিত বা নিরক্ষর ।প্রায়ই মায়ানমার সরকার কতৃক রোহিঙ্গা নিপীরন এর খবর পাওয়া যায়।বর্তমানে খুন, হামলায় সহ প্রায় মানব অধিকার সংগঠন এর মতে ৮থেকে১০ হাজার এরও বেশী  রোহিঙ্গা মৃত্যুর জন্য মায়ানমার সরকার তথা নোবেলজয়ী  সুচি কে পৃথিবী বেপি ঘৃনিত মানুষ হিসাবে মানবিক মূল্যায়ন থেকে নিন্দা   করাহয়।

রোহিঙ্গা শিশু-বৃদ্ধ,নর-নারী,
ধর্ষন, নিপিরন, অগ্নিকান্ড থেকে নিজেদের বাঁচতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া,পাকিস্থান সৌদিঅারব, থাইল্যান্ড এবং ভারতের পথে পা বাড়ায়।Rohingya নৌপথে সীমান্ত পাড়ী দিতে গিয়ে অসংখ্য রোহিঙ্গা ঢুবে মারা গেছে।


Rohingya

                                         রোহিঙ্গা
                                                                                Rohingya
                                              Rohingya in Bangladesh


মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

SEO কি....? SEO.... প্রণয়জনিতা কি...?

প্রশ্ন.১).. SEO কি...?  প্রশ্ন.২)..SEO..এর প্রয়জনিতা... কি...?

উত্তর...SEO অর্থ হচ্ছে S=Search,E=Engins,এবং O=Optimizion (Search Engine Optimizion)এমন এক ধরনের পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ব্লগ বা ওয়েব সাইটকে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা। সহজ কথায় গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলতে অনলাইন ভিত্তিক কোন সেবা বা ব্লগিং বা ওয়েবসাইট মার্কেটিং করাই হচ্ছে SEO(সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন) যাতে একটি নিদিষ্ট বিষয়ের সার্চ রেজাল্টে ওয়েব সাইটটি অন্য সাইটকে পেছনে ফেলে সবার আগে অাপনার ব্লগকে প্রাধান্য দেয়ার কিছু কৌশল। এ ধরনের সার্চ রেজাল্ট কে organic বা natural  সার্চ রেজাল্ট বলা হয়। সার্চ রেজাল্ট এর প্রথম  দশটি  ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর মধ্যে নিজের ওয়েবসাইট কে নিয়ে আসাই সবার লক্ষ্য থাকে। কারন ব্যাবহার কারীরা সাধারনত শীর্ষ দশের মধ্যে তার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইট না পেলে দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় যায় না। তারমানে শীর্ষ দশে থাকা মানে ওয়েবসাইট এ বেশি পরিমাণ ভিজিটর পাওয়া 

আর বেশি ভিজিটর মানে বেশি আয়। এজন্য সবায় মরিয়া হয়ে নিজের ওয়েবসাইট কে সার্চইঞ্জিনের জন্য উপযুক্ত করেন । আর এই কাজটাই করা হয় SEO এর মাধ্যমে।এটি শেখা অত্যন্ত গুরুপ্তপূর্ন।বর্তমানে মার্কেটিং এর জন্য অন্যতম প্রধান এবং সর্ব বৃহৎ সেক্টর হচ্ছে SEO।সৃজনশীল পাঠক গন প্রশ্ন করতে পারেন অামি সবসময় সম্বব হলে উত্তর দিতে চেষ্টা করব।

সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

নতুন new blogger খুলতে চান তাদের জন্য বলছি....

অাপনি যদি নতুন হন তবে প্রথমে Blogger এ একটি Blog খুলুন সম্পূর্ণ  FREE....!

Blogger হল গুগল কর্তৃক বিনামূল্যে প্রদান করা ব্লগ তৈরির একটি প্লাটফর্ম বা মাধ্যম। এই মাধ্যমে তুমি নিজের একটি ব্যক্তিগত ব্লগ তৈরি করতে পারবে।

Blogger মাধ্যমে একটি ব্লগ তৈরি করার ধাপগুলো নিচে আলোচনা করা হল।

প্রথমে ব্রাউজার চালু করে blogger লিখে সার্চ দাও এবং ফলাফল থেকে blogger.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ কর।

 অাপনারgmail অ্যাকাউন্টে লগ ইন বা প্রবেশ করা না থাকলে, নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন বা প্রবেশ করে gmail অ্যাকাউন্ট করে নিতে পারবেন। এরপর নিচের মত প্রদর্শিত হলে Continue to Bolgger লিংকে ক্লিক কর।continue to blogger

নতুন ব্লগ তৈরি করতে New blog লিংকে ক্লিক কর।

 এরপর একটি ফরম প্রদর্শিত হবে। ফরমটির Title অংশে তোমার ব্লগের নাম লিখ অর্থাত blogger এর একটি নাম ধরুন "FZ blogger"। যেমন বুদ্ধিমান যন্ত্র। বাংলা লিখতে চাইলে বাংলা লেখার পদ্ধতি অনুসরণ কর।

এরপর একটি অ্যাড্রেস দিতে হবে। তোমার ব্লগের পাঠকগন এই অ্যাড্রেস তাদের ব্রাউজারে লিখে তোমার ব্লগে প্রবেশ করবে যেমন www.bloggermonju.blogspot.comঅথবা www.srunionbsl.blogspot.com (অবশ্যকরণীয়  URL বা অ্যাড্রেস সবসময় ছোট হাতের হবে নয়ত হবে না। অর্থাৎ এটি হল তোমার ব্লগের URL বা ওয়েব অ্যাড্রেস। এমন একটি নাম প্রদান কর যেটা আগেই কেউ ব্যবহার করেনি এবং সহজ ও ব্লগের বিষয় বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যদি প্রদত্ত নামটি আগেই কেউ ব্যবহার করে থাকে তাহলে অ্যাড্রেস বক্সের নিচে “Sorry, this blog address is not available.” একটি বার্তা প্রদর্শিত হবে। অন্যথায় “This blog address is available.” বার্তা দেখা যাবে।

এরপর Template অংশে তোমার ব্লগ দেখতে কেমন হবে সেটি নির্ধারণ করতে দিতে হবে। এই কারিগরি বিষয়গুলো ব্লগ তৈরি হাওয়ার পরেও পরিবর্তন করা যায় যদিও পরিবর্তন করার দরকার হয়না। তাই আপাতত এই অংশে কোন কিছু করার প্রয়োজন নেই। এরপর Create blog লিংকে ক্লিক কর.

form fill

ব্লগ তৈরি হয়ে যাবে এবং ড্যাশবোর্ড প্রদর্শিত হবে। ড্যাশবোর্ড থেকে ব্লগের বিভিন্ন কাজ করা যাবে।

লেখালেখি শুরু করতে ড্যাশবোর্ডে বাম পাশে উপরের দিকে New post লিংকে ক্লিক কর।dashboard blog

লেখা পোস্ট করার জন্য একটি পেজ প্রদর্শিত হবে। প্রদর্শিত পেজ উপরের বক্সে একটি শিরোনাম দিতে হবে। এরপর নিচের সাদা পেজে তোমার প্রবন্ধ লিখে ডান পাশে উপরের দিকে Publish লিংকে ক্লিক কর। লেখালখির সময় লেখার বিভিন্ন সাজসজ্জার জন্য উপরের দিকের বিভিন্ন টুলের আইকনগুলো ব্যবহার করতে পার তুমি। নতুনnew post

Publish লিংকে ক্লিক করলে Share on Google+ নামে একটি বক্স প্রদর্শিত হবে। সবার সাথে শেয়ার করতে চাইলে Share লিংকে ক্লিক কর। অন্যথায় Cancel এ ক্লিক কর। তোমার লেখাটি ব্লগে প্রকাশিত হবে।

লেখা প্রকাশিত হয়ে গেলে আবার ড্যাশবোর্ডে ফেরত যাবে। বাম পাশে উপরে View blog লিংকে ক্লিক কর। তোমার ব্লগে সদ্য প্রকাশিত লেখাটি দেখতে পাবে। view blog

তোমার ব্লগের অ্যাড্রেসটি সবাইকে জানিয়ে দাও এবং প্রবন্ধগুলো পড়ার আমন্ত্রন জানাও। নতুন blog

প্রতিবার নতুন পোস্ট তৈরি করতে একইভাবে ড্যাশবোর্ড থেকে New Post লিংকে ক্লিক করে নতুন পোস্ট তৈরি করতে পারবে। বুঝতে সমশ্যা হলে এটি ফেজবুকের মত বাংলা করে নিতে পারবেন, অার কোন প্রশ্ন থাকলে বলবেন উত্তর দিতে চেষ্টা করব।

Blogger জনপ্রিয় করার জন্য কি করব..?

কিভাবে একটি ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করবেন?

প্রত্যেক ব্লগের ব্লগার তার নিজের  ব্লগটিকে সবার কাছে একটি জনপ্রিয় ব্লগ হিসেবে উপস্থাপন করতে চান। সবাই আশা করেন তার ব্লগটি সকলের কাছে জনপ্রিয় ব্লগ হিসেবে পরিচিতিপ্রাপ্ত হোক। তবে একজন ব্লগারের পক্ষে এই কাজটি করা খুবই কঠিন একটা বিষয়। একজন ব্লগার সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা S.E.O আরো অন্যান্য কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে যদিও একটি ব্লগে অনেক বেশি traffic  পেতে সক্ষম হন কিন্তু খুব কম সংখ্যক লোক ব্লগের জনপ্রিয়তা তৈরিতে সফল হতে পারেন। কারন ব্লগে traffic বা ভিজিটর পেলেই একটি ব্লগ জনপ্রিয় হয়ে উঠে না। একটি ব্লগকে সবার কাছে জনপ্রিয় এবং গ্রহনযোগ্য করে তুলার জন্য ব্লগ ও ব্লগের বিভিন্ন বিষয়ে কিছু অসাধারন গুনাবলীর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আপনি হয়ত ভাবতে পারেন কারো ব্লগে traffic  থাকলেই ব্লগটি সবচাইতে জনপ্রিয় ব্লগ হয়ে উঠবে। আসলে Traffic এবং জনপ্রিয়তা শব্দ দুটির মধ্যে অনেক তথাৎ । সাধারনত আপনি লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে, অন-লাইনে অনেক ব্লগ রয়েছে যারা ইউটিব থেকে কিছু জনপ্রিয় ভিডিও বাছাই করে ভিডিওটির একটি আকর্ষণীয় এবং কৌতুহলী টাইটেল প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের Social Media-তে লিংক শেয়ার করার মাধ্যমে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পেয়ে যান। এ ধরনের ব্লগের পর্যাপ্ত ট্রাফিক থাকার কারনে র‌্যাংকিংও ভাল অবস্থানে থাকে। তবে খুব কম সংখ্যক ভিজিটর পরবর্তীতে পুনরায় এই টাইপের ব্লগে ভিজিট করেন। ঠিক একইভাবে আরও অন্যান্য টপিকের ব্লগ রয়েছে যারা বিভিন্ন কৌশল খাঠিয়ে ব্লগে পর্যাপ্ত ট্রাফিক পেয়ে যান, তবে ভিজিটরদের ব্লগে ধরে রাখতে বা ব্লগের জনপ্রিয়তা তৈরি করতে সক্ষম হন না।

একটি ব্লগে traffic থাকার পাশাপাশি যখন ভিজিটরদের কাছে ব্লগের জনপ্রিয়তা এবং গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পবে, তখনই আপনার ব্লগিং করার উদ্দেশ্য পরিপূর্ণ হয়েছে বলে ধরে নিতে পারেন। আপনাকে সব সময় একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে, শুধুমাত্র traffic   করার মাধ্যমে অন-লাইন হতে আয় করাটাই ব্লগিংয়ের মূখ্য উদ্দেশ্য নয়। আপনার ব্লগের কনটেন্টের মাধ্যমে কিছু নিত্য নতুন বিষয় শেয়ার করে সবাইকে শেখানোটা হবে আপনার মূল উদ্দেশ্য। পক্ষান্তরে যখন আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে, তখন ব্লগের ট্রাফিক এবং ব্লগ থেকে আয় করার বিষয়টা নিয়ে কোন চিন্তা করতে হবে না। কারণ যে কোন জিনিসের সুনাম বা জনপ্রিয়তা ঐ বিষয়ের মাধ্যমে একজন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সফলতার পথে নিয়েচলে। তাই লেখার মান, তৈথ্য,ছবি,এবং ব্লগিং একে অপরে বিনেসুতার মালার মত ভূলেগেলে চলবে
না।

রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

অাপনি কি ইনকাম করতে চান...? অাপনি সহজে অনলাইনে ইনকাম করতে চাইলে সহজ দুটি সাইট না পড়লে মিস করবেন


অাজ অামি দুইটি সাইট নিয়ে অালচনা করব অনলাইনে বা ইন্টারনেটে কি ভাবে ইনকাম করবেন সে বিষয় বলব। অামরা এখন অনেকে মনে করি যে অনলাই নে ইনকাম করা অসম্ভব বা ভূয়া অাসলে কিন্তু তা নয়।অাপনি যে লেখাটা পড়ছেন বা এমন হাজার লেখা সব কেউ না কেউ লিখছে... মূলত সত্য কথা হল এখানে ভাল ইনকাম করার জায়গা অাছে , এর জন্য এতলেখা লেখি তার জন্য অাপনার সবার অাগে ১)নিজের ইচ্ছা শক্তি দরকার
২)ভাল বন্ধু বা গাইট লাইন
 দরকার।
৩)ভাল একটি টিউরিয়াল প্রয়জন।
৪)ভাল কিছু করার জন্য সদা অাগ্রহী থাকতে হবে।
৫)প্রচুর শ্রম দেয়ার মানষিকতা থাকতে হবে।
অামি অাশাকরি  চেষ্টাকরলে যে কেউ এই দুইটি সাইটে অবশ্যই ইনকাম করতে পারবেন।এর জন্য খুব বেশি শিক্ষা বা দক্ষ হবার প্রয়জন নাই।বাংলাদেশের যে কেউ একটু চেষ্টা করলেই এই দুইটি সাইট দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন তবে সাধনা বা অধ্যবসায় এর কোন বিকল্প নাই। এখন যে সাইট দুটি নিয়ে অালচনা করব তারনামঃ---
১)অারটিকেল বা ব্লগ লিখে ইনকাম।
২)ইউটিভ এ ছবি বা ভিডিও দিয়ে ইনকাম।
নম্বর ১) আরটিকেল বা ব্লগ লিখে ইনকাম।প্রথমে অাপনাকে
গুগলে gmail নম্বর দিয়ে   blogger.com এ গিয়ে একটি ফ্রি ব্লগার এ একাউন খুলতে হবে। একাউন্টের একটি নাম এবং একটি   URL বা ঠিকানা লিখতে হবে। এই ব্লগে অাপনি প্রতিনিয়ত অাপনার অারটিকেল লিখে ইনকাম করবেন। প্রশ্ন. কি লিখবেন...?
হতেপারে মজার তৈথ্য,শিক্ষা মূলক,সংবাদ, গল্প, খেলাদুলা,ইত্যাদি। সকল সময় মাথায় রাখবেন ভিজিটর বা ট্রাফিক mb বা তার পয়সা নষ্ট করে দেখছে তার পছন্দের বিষয় মূল্যয়ন করতে মানে তাকে শেরাটাই দিতে।এভাবে ব্লগ লিখে বেস জনপ্রিয় করলে গুগল অাপনাকে টাকা দিবে।
নম্বর টু
২)ইউটিবে ভিডিও বা ছবি দিয়ে ইনকামঃ---অাপনাকে গুগলের ইউটিবে একটি gmail নম্বর দিয়ে একাউন্ট খুলতে হবে।এই একাউন্টে কিছু ক্রিয়েটিভ ভিডিও দিয়ে ইনকাম করতে হবে। প্রশ্ন.কি বা কি ভিডিওটেপ করবেন..?
মনে রাখবেন ভিজিটর তার পকেটের পয়সাকড়ি খরচ করে বা mb দিয়ে দেখছে তাই শেরা কিছু দিতে চেষ্টা করুন। ৩থেকে ৫মিঃ এর ভিডিও দিন।কৌতুক,অভিনয়,নাচ,গান,শিক্ষা মূলক ইত্যদি দিতেপারেন।অাপনার চ্যানেল জত জনপ্রিয় হবে অাপনার ইনকাম ততটাই ভালহবে।
প্রশ্ন বা মন্তব্য থাকলে অবশ্যই জানাবেন উত্তর দেয়ার চেষ্টাকরবো ।


দুধ নামে বিষ খাচ্ছেন অাপনি...?

অাপনি কি সচেতন বাংলাদেশের দুগ্ধ খামার থেকে শুরু করে দোকানের প্যা‌কেটজাত পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দুধ অত্যন্ত বিপজ্জজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন...