রবিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৭

মিয়ানমার বাংলাদেশকে টার্গেট করে ৪৫ টি ইয়াবা তৈরির কারখানা সীমান্তে....


মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা আসার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মরণনেশা ইয়াবার চালান আসার ঘটনাও বেড়েছে। শনিবারও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ধাওয়া খেয়ে ইয়াবা চোরাচালান চক্র পৌনে ২ লাখ পিস ইয়াবা ফেলে দিয়ে পালিয়ে গেছে। বাংলাদেশকে টার্গেট করে মিয়ানমার সীমান্তে গড়ে উঠেছে ৪৫ ইয়াবা তৈরির কারখানা। মিয়ানমার থেকে প্রায় প্রতিদিনই অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে সমুদ্রপথে ট্রলার ও নৌকাযোগে মরণনেশা ইয়াবার চোরাচালান আসছে বাংলাদেশে। প্রতিমাসে গড়ে ৩০ কোটি টাকার ইয়াবার চালান আসছে। প্রতিবছর ইয়াবার চালান আসছে সাড়ে ৩ শতাধিক কোটি টাকার। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তের ৪৩ পয়েন্ট দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে ইয়াবা পাচার করা হচ্ছে। এর মধ্যে টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপের মধ্যবর্তী ১৪ কিলোমিটার নাফ নদীর চ্যানেল এলাকা ইয়াবা পাচারের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহার করছে চোরাচালান সিন্ডিকেট। ইয়াবার ৯০ শতাংশই নাফ নদী ও সাগরপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবার চালান কোনভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষ থেকে পাঠানো প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, শনিবার ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীর সাবরাং ইউনিয়নের তিন ও চার নম্বর সøুইস গেটের মাঝামাঝি ‘বকের প্যারা’ এলাকা থেকে ইয়াবাভর্তি নৌকাটি জব্দ করেছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। বিজিবি সদস্যদের ধাওয়া খেয়ে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৯৫ পিস ইয়াবা বড়ি ফেলে পালিয়ে গেছে পাচারকারী সিন্ডিকেট সদস্যরা। মিয়ানমার জলসীমান্ত পার হয়ে ইয়াবা ভর্তি একটি নৌকা বাংলাদেশের দিকে আসতে দেখে থামানোর সংকেত দেয় বিজিবি। স্পীডবোটটি বিজিবির সদস্যদের কাছাকাছি এলে পাচারকারীরা নৌকাটি ডুবিয়ে দিয়ে সাঁতরে মিয়ানমার চলে যায়। ভাসমান নৌকার একটি পাত্রের ভেতর থেকে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৯৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করাসহ ইয়াবা চালানে ব্যবহৃত নৌকাটি জব্দ করেছে বিজিবি। এভাবেই প্রতিদিন ইয়াবার চালান আসছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের মাদকসেবীদের কাছে হেরোইন, ফেনসিডিলের চাইতে ইয়াবার চাহিদাই বেশি। এ জন্য ইয়াবা পাচার রোধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করার পরও কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না ইয়াবার চোরাচালান। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিয়ানমার সীমান্তে ইয়াবার কারখানাগুলো ও ইয়াবা চোরাচালান বন্ধে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার উদ্যোগ নেয়ার পরও ইয়াবা বন্ধ হচ্ছে না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মিয়ানমারকে তাদের দেশের সীমান্ত এলাকায় গড়ে ওঠা ইয়াবা তৈরির কারখানার তালিকা দেয়া হয়। প্রদত্ত তালিকায় মিয়ানমারকে ৪৫ ইয়াবা কারখানার বিষয়ে তথ্য দেয় বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৩৭ কারখানার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়। এসব কারখানায় ১৩ ধরনের ইয়াবা তৈরি হচ্ছে, যার বাজার বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-মিয়ানমারের ২৭১ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ১৭২ কিলোমিটারই অরক্ষিত। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ৪৩ পয়েন্ট দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে ইয়াবা পাচার করা হচ্ছে। এর মধ্যে টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপের মধ্যবর্তী ১৪ কিলোমিটার নাফ নদীর চ্যানেল এলাকা ইয়াবা পাচারের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহার করে চোরাচালানিরা।

ইয়াবা চোরাচালানে ছোট নৌকা, ট্রলার, মালবাহী ছোট জাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে। ইয়াবার ৯০ শতাংশই নাফ নদী ও সাগরপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। মিয়ানমারের মংডু, সিটওয়ে, মইং, কুখাই, নামকখাম, শান, ওয়া, মংশাত, তাশিলেক, মংপিয়াং, মংইয়াং ও পাংশাং, কুনলং, টেংইং, সেন, লুই হুপসুর, কাইয়াং, মাহাজা এ্যান্ড হুমং, কেউও, মাওকমাই, কাকাং মংটন কাশিন ও আইক্কায় ইয়াবা কারখানা বেশি। ইয়াবা তৈরির কারখানার মধ্যে ১০টি গড়ে উঠেছে মংডুতে। এখন নাফ নদী পার হয়ে নৌযানে ইয়াবার চালান টেকনাফ, কক্সবাজার হয়ে সরাসরি রাজধানীতে চলে আসে। এছাড়া সীমান্তের অরক্ষিত এলাকা দিয়ে ইয়াবাসহ অস্ত্রের চালান আসছে। এই ইয়াবার চালান রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিনা বাধায় চলে যাচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একশ্রেণীর কর্মকর্তা ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত ১৬ এপ্রিল চট্টগ্রামে ২০ লাখ ও টেকনাফ থেকে আসা ১০ লাখ ইয়াবার দুই বড় চালান আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপকেন্দ্রিক দেশের সর্ববৃহৎ একটি আন্তর্জাতিক ইয়াবা পাচার চক্র গড়ে উঠেছে, যার তালিকা তৈরি করেছে বিজিবি, র‌্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থা।

গত ৪ মাসে মোট ৭৬ লাখ ইয়াবার ৪টি চালান এনেছে ইয়াবা চোরাচালান চক্র। এর মধ্যে বছরের গত ডিসেম্বর মাসে ১৬ লাখ এবং জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চে তিন চালানের প্রতিটিতে ২০ লাখ করে আরও ৬০ লাখ ইয়াবা খালাস করেছে ইয়াবা পাচারকারী চক্র। গত আগস্ট থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা বিতাড়নের ঢল নামার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মরণনেশা ইয়াবা পাচার বেড়ে গেছে। মিয়ানমারের

বুধবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৭

এবার Grameenphone দিচ্ছে এখন বন্ধ সিম অফার for the all inactive customers. এই অফারের অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকেরা পাবে 2GB 9 TK and 8GB 36 Tk internet data.


এবার Grameenphone দিচ্ছে এখন বন্ধ সিম অফার for the all inactive customers. এই অফারের অন্তর্ভুক্ত গ্রাহকেরা পাবে 2GB 9 TK and 8GB 36 Tk internet data.

এর জন্য আপনার যা লাগবেঃ

একটি অব্যবহৃত গ্রামীণফোন সিম যেটি গত দেড় মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় বন্ধ ছিল।  প্রথমে আপনার একটি সচল গ্রামীণফোন সিম থেকে অব্যবহৃত গ্রামিনফোন সিমের নম্বরটি যাচাই করে নিন ।

আপনার সিমটি এই অফারের আওতাভুক্ত আছে কিনা… যাচাই করতে আপনার মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করুন BHK ‍Your unused phone number এবং পাঠিয়ে দিন 9999 নাম্বারে।  BHK 017******** এবংপাঠিয়ে দিন 9999 নাম্বারে

যদি এরকম “you are eligible for’ ম্যাসেজ পান তাহলে আপনি ৩৬ টাকা খরচ করে ৪ বারে ৮ জিবি ইন্টারনেট ডাটা কিনতে পারবেন।  কিভাবে নিবেন সেটা ফিরতি এসএমএস এর মাধ্যমে জানতে পারবেন।

উত্তর কোরিয়ার নতুন মারন-অস্ত্র ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’


উত্তর কোরিয়ার নতুন মারন-অস্ত্র ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’

‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’  অস্ত্র এতটাই শক্তী যে এটা দিয়ে আমেরিকার ৯০ ভাগ মানুষকে মেরে ফেলতে পারে উত্তর কোরিয়া। যে কোনো সময় এই অস্ত্র প্রয়োগ করে পিয়ংইয়ং আমেরিকাকে শেষ করে দিতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন প্রাক্তন সিআইএ কর্মকর্তা পিটার ভিনসেন্ট প্রাই।

ওই বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’ অস্ত্রে এক হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক পালস সমস্ত ইলেকট্রনিক জিনিসের কাজ করা বন্ধ করে দেবে। এমনকি মাঝ আকাশে বিমানও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

উত্তর কোরিয়া যদি আমেরিকায় ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’ প্রয়োগ করে তবে আধুনিক প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল ৩২০ মিলিয়ন মানুষই সমস্যার শিকার হবেন। এক বছর ধরে স্তব্ধ হয়ে থাকতে পারে সব ইলেকট্রনিক্স জিনিস এমন ভয়ংকর তথ্য এখন অামেরিকার মাথা ব্যাথার করন হয়ে দেখাদিচ্ছে।


মেধা বা স্মরণশক্তি বৃদ্ধির উপায় কি...?


কয়েকটি সহজ কৌশল বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার স্মরণশক্তি। আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা যেকোনো ঘটনা বা বিষয়বস্তু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মনে রাখতে পারে।

কেউ আবার খুব সহজেই যেকোনো বিষয় শিখে নেয়। এক্ষেত্রে আপনি যদি মনে করেন সেই লোকের মতো আপনার মেধা নেই, তবে তা ভুল হবে। আপনার মেধা অবশ্যই কম না, কিন্তু সকলে একভাবে মনে রাখতে পারে না। কারণ, সবার মস্তিষ্কের গঠন একরকম নয়। আরও জেনে নিন-
১। মানসিক চাপ কমিয়ে আনুন, বিষন্নতা দূর করুন
রাগ, ক্ষোভ বা উদ্বেগ আপনার ব্রেনকে কিছু সময়ের জন্য স্থবির করে দেয়, যা আপনার স্মরণশক্তি কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে। মানসিক চাপের মধ্যে বিষন্নতা সবচেয়ে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। বিষণ্ণতা আপনার মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে এবং রক্তে করটিসলের লেভেল বাড়িয়ে দেয়। করটিসেলের লেভেল বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়, বিশেষ করে হিপ্পোক্যাম্পাসের।


যেখানে শর্টটার্ম মেমোরি সংরক্ষিত থাকে। তাই বিষণ্ণতা সহ সকল মানসিক চাপ যতদূর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।
২। গান শুনুন
গবেষকরা দেখিয়েছেন কিছু সংগীত স্মৃতিশক্তি বাড়াতে উপকারি। ব্যাপারটা এই রকম: কোন ঘটনার সময় আপনি যদি কোন গান শুনেন তবে পুনরায় সেই গান শোনার সময় সেই ঘটনার আবহের স্মৃতি আপনার মস্তিষ্কে জেগে উঠবে।

৩। ব্যায়াম করুন আর শরীরকে রাখুন সচল
ব্যায়াম শুধু আপনার শরীরকেই সচল করে না, এটি আপনার মস্তিষ্ককেও সচল রাখে। স্থূলতা এবং অতিরিক্ত ওজন আপনার ব্রেইনের জন্যও ক্ষতিকর। নিয়মিত ব্যায়াম না করলে কিংবা শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো সচল না থাকলে রক্তবাহী নালীগুলো চর্বি জমে। ফলে স্বাভাবিক রক্তচলাচল ব্যহত হয়। মস্তিষ্কে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবারাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মস্তিষ্কের কোষগুলোও। তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, সচল রাখুন আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো।

৪। বিষয়গুলো লিখে রাখুন
যে বিষয়গুলো স্মৃতিতে রাখতে চান তা লিখে ফেলার অভ্যাস করুন। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও আছে। লেখার সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তপ্রবাহের পরিমান বাড়ে। তাই লিখে রাখুন ডায়রিতে, ইমেইলে বা ব্যক্তিগত ব্লগে।

৫। পুষ্টিকর খাবার খান
মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য অবশ্যই আপনাকে ভিটামিন যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তাজা ফলমূল, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, গমের রুটি প্রভৃতি প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন। পরিমান মতো বিশুদ্ধ পানি পান করুন। প্রচুর চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন। বিশেষ করে বাসি-দূষিত খাবার খাবেন না। ওগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর ধূমপান ও মাদক সেবন থেকে বিরত থাকুন। এগুলো আপনার মস্তিষ্কের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর।

৬। অন্যকে শেখান
নিজে যা শিখতে চাচ্ছেন। তা একবার শিখে নিয়ে অন্যকে শেখান। আরজনকে শেখাতে গিয়ে দেখবেন আপনার জানার ঘাটতিগুলো ধরতে পারছেন। আবার চর্চাও হবে আরেক জনকে শেখানোর মাধ্যমে। নতুন কিছু বিষয়ে আপনার কোন চিন্তা আরেকজনের সাথে শেয়ারও করতে পারেন। তাহলে আপনার স্মৃতিতে তা স্থায়ী হবে। লোকটাকে দেখা মাত্রই বিষয়টি আপনার স্মৃতিতে আসবে।

৭। পর্যাপ্ত ঘুম
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক আট ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। একটা চমৎকার ঘুম আপনার মস্তিষ্ককে অধিক কার্যকরী করে তোলে। ঘুমের সময় সাম্প্রতিক সময়ের তথ্যগুলোকে মস্তিষ্কসংরক্ষণ করতে থাকে। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারেন।


মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭

পৃথিবী কি অাজ ধ্বংশর দিকে এগুচ্ছে...? ধ্বংশ হবে কি..২০৫০ এর মধ্যে ....?


পৃথিবী কি  অাজ ধ্বংশর দিকে এগুচ্ছে...?
অাজ অামেরিকা হুঙ্কার, তো কাল উত্তর কোরিয়ার  হুমকি। শুধু কি তাই, প্রায় প্রতিদিনই নিত্যনতুন পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষায় মাতে উত্তর কোরিয়া সহ পাকিস্থান,ভারত রাশিয়া,চীন,ইরান, অামেরিকা সহ এই শক্তি পরীক্ষার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদ ভারতীয় বা পাকিস্তানি সম্পদ। এমনটা দাবি করছে প্রতিবেশী এবং পিয়ংইয়ংয়ের সবচেয়ে বড় বন্ধু চীনের। তাদের দাবি, এতে বদলে যাচ্ছে পর্বতের ভৌগোলিক অবস্থান, আয়তন সহ বন নদী  আর তাতে শুধু উত্তর কোরিয়া নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চীনও  এমন কি ২০৫০ সালে পৃথিবী হতেপারে চিরতরে ধ্বংশ।

বিজ্ঞানীদের দাবি, প্রতিবার পরমাণু পরীক্ষার জেরে ছোটবড় ভূকম্পে কেঁপে ওঠে উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন অংশ। সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পটি হয়েছিল পুনগেই-রি পরমাণু পরীক্ষার পরে। গত ৪ সেপ্টেম্বর মাউন্ট মান্তাপের নিচে পরীক্ষাটি হয়। সেই দিন হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে মাটি। উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছিল পাহাড়ে ধস নামার ছবি। রিখটার স্কেলে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় চীনেও। এর পরেই পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, বদলে গিয়েছে ৭২০০ ফুট উঁচু মাউন্ট মান্তাপের অবস্থান।

বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন, ‘টায়ার্ড মাউন্টেন সিন্ড্রোম’। চীনা গবেষকদের আশঙ্কা, এ ভাবে চলতে থাকলে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে পারে মাউন্ট মান্তাপ। বিস্ফোরণের ফলে ভূগর্ভস্থ পাথরের বৈশিষ্ট্যের অদলবদল ঘটছে। চিড় ধরছে পাথরে, পৃথিবী বিপন্ন হতেপারে মানবতার ধ্বংশ ২০৫০ সালের মধ্যেই।

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসমোলজিস্ট পল রিচার্ড বলেন, ‘পৃথিবীর কিছু কিছু অংশ এমনিতেই ভূমিকম্প-প্রবণ। তার উপরে লাগাতার বিস্ফোরণে পরিস্থিতি আরও খারাপ।’ তাদের আশঙ্কা, আরও ভয়াবহ ভূমিকম্পের সম্মুখীন হতে চলেছে কোরীয় উপদ্বীপ সহ পাকিস্থান ভারত  সহ মধ্য এশিয়ান দেশগুলি।

২০০৬ সালে মোট ছয়টি পরমাণু পরীক্ষা করেছিল উত্তর কোরিয়া। সেগুলোর প্রায় সবকয়টিই করা হয় মাউন্ট মান্তাপের সুড়ঙ্গে। ওই এলাকাটি বিখ্যাত ‘পুনগেই-রি নিউক্লিয়ার টেস্ট ফেসিলিটি’ নামে। মাউন্ট মান্তাপের গতিবিধির উপরে তাই কড়া নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভলক্যানোলজির অধ্যাপক কলিন উইলসনের দাবি, বারবার এই ধরনের পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা হতে থাকলে জেগে উঠতে পারে উত্তর কোরিয়া ও চীনের সীমান্ত থেকে মাত্র ৮০ মাইল দূরে অবস্থিত আগ্নেয়গিরি মাউন্ট পিকদুও ১৯০৩ সালের পর থেকে ঘুমিয়ে রয়েছে এই পর্বত।এদিকে হিমালয় পর্বত সহ ভারত সাগর সিন্ধু নদ,গঙ্গা-যমুনা ও বঙ্গপ সাগর হতেপারে  বন্য প্রানী ও সামুদ্রিক জলজ প্রানির বিলুপ্তি।

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে একের পর এক পরমাণু পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে কিম-জং-উনের দেশ। বরাবরই তাদের পাশে থেকেছে চীন পাকিস্থান। অামাদের এধরনের মরন খেলা থেকে বেরিয়ে অাশা উচিৎ সুন্দর একটি পৃথিবী চাই...!
ঘুম ভাঙ্গা পাখির ডাকে..!
শীতের কুয়াশা ভোর
২০৫০ এমন স্বপ্নঘোর।
#Blogger_monju
উত্তর কোরিয়ার নতুন অস্ত্র ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’

‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’ অস্ত্র দিয়ে আমেরিকার ৯০ ভাগ মানুষকে মেরে ফেলতে পারে উত্তর কোরিয়া। যে কোনো সময় এই অস্ত্র প্রয়োগ করে পিয়ংইয়ং আমেরিকাকে শেষ করে দিতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন প্রাক্তন সিআইএ কর্মকর্তা পিটার ভিনসেন্ট প্রাই।

ওই বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’ অস্ত্রে এক হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক পালস সমস্ত ইলেকট্রনিক জিনিসের কাজ করা বন্ধ করে দেবে। এমনকি মাঝ আকাশে বিমানও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

উত্তর কোরিয়া যদি আমেরিকায় ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’ প্রয়োগ করে তবে আধুনিক প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল ৩২০ মিলিয়ন মানুষই সমস্যার শিকার হবেন। এক বছর ধরে স্তব্ধ হয়ে থাকতে পারে সব ইলেকট্রনিক্স জিনিস।

 

শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭

গুগল সবজান্তা মানুষ কি লিখে বেশি Google এ সারস্ করেন....?

বর্তমানে ইন্টারনেট ছারা পৃথিবী অচল।প্রযুক্তির কল্যানে অাজ হাতের মুঠোয় পৃথিবী কম্পিউটার,ট্যাব,মোবাইল সহ সকল যায়গায় ব্যাবহার হচ্ছে 3G,4G,5G সভ্যতার শুরু থেকেই প্রতিনিয়ত মানুষ অজানাকে জানার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আর প্রযুক্তির কল্যাণে তথ্য ভান্ডারে পরিণত জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। গুগল যেন অাজ সবজান্তা সামসের অাজ গুগল সকল প্রশ্নর উত্তর এনে দিচ্ছে চোখের পলকে। তাই মানুষ এখন অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মানুষ খোঁজে থাকে গুগলে। সম্প্রতি গুগল প্রকাশ করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ‘হাউ ‍টু ....’ অর্থাৎ ‘কিভাবে ...’- খোঁজা হয়েছে, এমন ১০টি বিষয়ের তালিকা। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গুগলে সার্চ করা ১০টি ‘হাউ টু ...’- বিষয়ের তালিকা অামরা ১থেকে ১০ পর্যন্ত অাপনাদের সামনে তুলেধরছি... ১. how to tie a tie (কিভাবে টাই বাঁধতে হয়) ২. how to kiss (কিভাবে চুমু দিতে হয়) ৩. how to get pregnant (কিভাবে গর্ভবতী হওয়া যায়) ৪. how to lose weight (কিভাবে ওজন কমানো যায়) ৫. how to draw (কিভাবে আঁকা যায়) ৬. how to make money (কিভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়) ৭. how to make pancakes (কিভাবে প্যানকেক বানাতে হয়) ৮. how to write a cover letter (কিভাবে কভার লেটার লিখতে হয়) ৯. how to make french toast (কিভাবে ফ্রেঞ্চ টোস্ট বানাতে হয়) ১০. how to lose belly fat (কিভাবে পেটের মেদ কমানো যায়) গুগলের ডাটা এডিটর সাইমন রজার্স বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা লক্ষ্য করেছি যে, গুগলে ‘হাউ টু ....’ প্রশ্ন খোঁজা ২০০৪ সাল থেকে বর্তমানে ১৪০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এর মধ্যে বেশিরভাগ জিনিস পত্রের সমাধান সম্পর্কিত প্রশ্ন যেমন লাইটবাল্ব, জানালা, ওয়াশিং মেশিন এমনকি টয়লেট পর্যন্তও।মনুষ হাজার প্রশ্ন মনের অগোচরে খুজে চলে গুগলে, এমন কি কিভাবে অাত্তহত্যর জন্যও গুগলে সারস্ করে থাকেন। প্রতি দিন হাজার হাজার নয় লক্ষ প্রশ্নকারী গুগলে সারস করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৭

প্রতারনা থেকে সাবধান.! টাকা ইনকাম করুন শ্রম, মেধা খাটিয়ে...নয়তো চরম ক্ষতি হবে।


ফেজবুকে অনলাইনে ইনকামের গ্রুপ গুলোয় ঢুকলে মাঝে মধ্যে নিজেকে মদন মদনমোহন মনেহয়, কারন দেখবেন এখানে অনেকেই মাসে ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা ইনকাম করেন। তাও এ্যাপস ডাউনলোড করে কোন কাজ না জেনে বা দিনে ১৫ থেকে ২০ টি ভিডিও দেখেই। এমন প্রলোভনে অাসলে টাকা কি মিলে....? তাও নাকি বিকাশে দিবে। অাসলে এগুল ভূল এবং প্রতারনা।কিছুদিন অাগে ফেজবুকে দেখাজেত এইমাত্র ফেজবুকে কাজকরে ৫০০টাকা ইনকাম করলাম...! অাসলে কি সত্য...? না মোটেও নয়.... অাপনি ১)এ্যাপস্ ডাউনলোড করে রেফেরেল নম্বর দিলে অাপনার সকল তথ্য হ্যাক হবে অাপনি নজর বন্ধি হ্যাকার গ্রুপগুলি মদন বানালো অাপনাকে ।হারাতে পারেন অাপনার মূল্যবান ফেজবুক,ব্লগ,ওয়েরসাইট, বাংক এ্যাকাউন্ট,সহ মূল্যবান সকল তথ্য। ২)ইউটিভ এ ভিডিও দেখে ইনকাম অাসল সত্য হল ভিউয়ারস জতবেশি ইনকাম ততবেশি তাই গ্রুপগুলি এমন প্রলুব্ধতা অাপনি ছরি বানিয়ে নিশ্চই দর্শক জত বেশি পাবেন লাভ বেশি পাবেন । ৩)এই মাত্র ফেজবুকে কাজকরে ৫০০টাকা পেলাম মূলত এটাকে S.E.O বলে, ব্লগ বা ওয়েবসাইট লিংক প্রশারের জন্য এটা করা হয় এজন্য মদনকে বলাহয় এই ম্যাসেজিং ২০ টা সাইটে ফেজবুকে দিলেই টাকা। ১০০% নিশ্চিন্ত থাকুন টাকা পাবেন না। একটা কথা মনে রাখুন টাকা গাছে ধরেনা। কষ্টকরে বুদ্ধির মাধ্যমে ইনকাম করুন নয়তো একসময় ভ্লু-হোয়েলের মত হতাসায় জীবন হারাতে পারেন।#Bloggerw

বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৭

গুগলের অনুবাদক বা ট্রান্সলেট হেডফোন অাসছে বাজারে.....!

                                                       



GOOGLE বিশ্বা বাজারে মাতাতে নতুন চমক নিয়ে অাসছে.....!
"মানুষ যা কল্পনা করতে পারে বিজ্ঞান তাই তৈরি করতে পারে "কোন এক  মনিষী এমন কথা বলেছিলেন তার নামটা অাজ মনে নাই।Google এমন এক নতুন অনুবাদক বা ট্রান্সলেট হেটফোন নিয়ে অাসছে যে....
বিশ্বের যে কোন ভাষা বুজতেপারা এখন অার কোন কঠিন ব্যাপার নয়...! এমন স্বপ্ন সত্যি করার জন্য
সম্প্রতি একজোড়া ওয়্যারলেস হেডফোন বাজারে ছাড়ছে গুগল। তবে এটি সাধারব কোন হেডফোন নয়। এটা হল গুগল পিক্সেল বাডস হেডফোন। গুগল পিক্সেল ২ আর পিক্সেল এক্সএল স্মার্টফোনের সঙ্গেই লঞ্চ করেছে এই হেডফোন। যার অপেক্ষায় ছিল তামাম টেক স্যাভির দল।

পিক্সেল বাড শুধুমাত্র ওয়্যারলেস হেডফোন নয়। এর অছে অনেক কাজ। ইয়ারফোনে রয়েছে টাচ সেনসিটিভ কন্ট্রোলস। নাড়াচাড়া দিয়েই সে বুঝে ফেলে অাপনি কি চান। ডান দিকের বাডে শুধু আঙুল ছোঁয়ালেই গান শুরু বা থেমে যাবে। ডান দিকের বাডের পেছনের দিকে বা সামনের দিকে ঘষে দিন আওয়াজ কমবে বা বাড়বে।

আবার একটু বেশিক্ষণ প্রেস করে রাখুন, এসে যাবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট। এছাড়াও ফোন ধরা বা করার ক্ষেত্রেও কাজে দেবে এটি। অ্যাপেল এয়ারপডের মতোই এর কাজ কারবার খমতা। একবার চার্জ দিলে টানা পাঁচ ঘণ্টা কাজ চলে যাবে।

তবে সব থেকে বড় ব্যাপার যেটা, সেটা হল এই পিক্সেল পডের জন্য অনুবাদ বা ট্রান্সলেশন এখন অনেক সহজ। একদম সায়ান্স ফিকশন গল্পের মতো বিষয়গুলি রয়েছে এই গুগলের হেডফোনে এক দম মেজিক।

কীভাবে ট্রান্সলেশনের বিষয়টি কাজ করে দেখা যাক। অনুবাদ করতে হলে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে হাঁক দিতে হবে। নির্দিষ্ট ভাষায় বলার জন্য সাহায্য চাইতে হবে। এরপর গ্রাহকরা ইংরাজিতে সেটি বলুন। গুগল ট্রান্সলেট সেটিকে আপনার চাহিদা মতো ভাষায় পাল্টে দেবে এবার বলুন ম্যাজিক নয় কি...? সত্যি...!

ইয়ারফোনের সঙ্গে লাগানো স্পিকার থেকেই সেই অনুবাদ হওয়া ভাষা গমগম করে উঠবে। একইভাবে ওই ধরণের চাহিদা মতো ভাষা থেকেও ইংরেজিতে অনুবাদ করা যেতে পারে। শোনা যাবে ইয়ারফোন বা স্পিকারে। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে, কমিউনিকেশনের ধারাটাই পাল্টে দিতে পারে গুগলের এই ইয়ারফোন।

পিক্সেল বাডের দাম পড়বে ১৫ হাজার টাকার মত।গ্রাহকদের হাতে আসতে পারে নভেম্বর নাগাদ। এখন শুধুই অপেক্ষার পালা।প্রযুক্তিবিদ গন এ অাবিস্কারকে নতুন দিগন্তরেখা উন্মেচনের সোপান বলে মত প্রকাস করেন।

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭

What is the Blue Whale online suicide game? bluee whale game.... কি.....?

                                                               

গেমটির নাম ‘ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale বাংলা করলে এর অর্থ দাঁড়ায় ‘নীল তিমি’। গেমটির নির্মাতার নাম ফিলিপ বুদেকিন। ফিলিপ রাশিয়ার নাগরিক। তার ডাকনাম ফিলিপ ফক্স।

১৮ বছর বয়সে ফিলিপ ২০১৩ সালে প্রথমে ব্লু হোয়েল নিয়ে কাজ শুরু করেন। প্রথমে তিনি সামাজিকমাধ্যমে ‘এফ৫৭’ নামে একটি গ্রুপ তৈরি করেন। এরপর ৫ বছরের জন্য একটি পরিকল্পনা করেন। ৫ বছরের মধ্যে যেসব মানুষ সমাজের জন্য অপ্রয়োজনীয় (তার মতে) তাদের ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেন।

ফিলিপ যখন এই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেন তখন তিনি রাশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন। তিনি সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মনোবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বছর পড়াশোনার পর ব্লু হোয়েলের বিষয়টি প্রকাশ হলে ২০১৬ সালে তাকে বহিষ্কার করা হয়। ওই সময়ে তাকে গ্রেফতার করে রাশিয়ার আইনশৃংখলা বাহিনী। গত মে মাসে এক গোপন বিচারের মাধ্যমে ফিলিপকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। বর্তমানে তিনি সাইবেরিয়ার একটি কারাগারে দণ্ডভোগ করছেন বলে জানিয়েছে ডেইলি মেইল।

ব্লু হোয়েল গেম কীভাবে কাজ করে? ব্লু হোয়েল মোটেও ইন্টারনেট ভিত্তিক অন্যান্য সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন কিংবা নিছক গেম নয়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ভিত্তিক একটি ডিপওয়ে গেম। বলা হচ্ছে, যেসব কম বয়সী ছেলে-মেয়ে অবসাদে ভোগে, তারাই অসাবধানতাবশত এই গেমে আসক্ত হয়ে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কোনো ক্লান্তি বা বিষণ্নতা দূর করার গেম নয়। আত্মহত্যার প্রবেশপথ মাত্র।

নেট বা গুগল কোথাও খুঁজে পাবেন না এই গেম, খুঁজে পেতে পারেন কারো পাঠানো কোনো
গোপন লিংকের মাধ্যমে। এটি একটি সুইসাইড গেইম অর্থাৎ গেম খেললে মৃত্যু অনিবার্য। আপনি প্রশ্ন করতে পারেন – একটি গেম খেললে কিভাবে মৃত্যু হবে?

‘ব্লু হোয়েল’ বা Blue whale এর অর্থ নীল তিমি। নীল তিমিরা মৃত্যুর আগে সাগরের তীরে উঠে আসে – তারা আত্মহত্যা করে বলে অনেকের ধারণা! একারণেই গেমের নাম রাখা হয়েছে ‘Blue whale’ বা নীল তিমি। গেমের ৫০টি ধাপ রয়েছে। মনে রাখবেন – একবার গেমটি ইনস্টল করলে তাকে গেমের সবগুলো স্তর শেষ করার করার জন্য বাধ্য করবে অ্যাডমিন। মানে নিশ্চিত মৃত্যু।

কেন গেমটি থেকে বের হওয়া যায় না ? গেমটি মূলত একটি ডার্ক ওয়েভের (dark wave) গেম। ডার্ক ওয়েভ হলো ইন্টারনেটের অন্ধকার জগৎ। মনে রাখবে- গেমটি আপনি একবার ডাউনলোড করলে আর কখনোই আনইনস্টল করতে পারবেন না। গেমটি আপনার ফোনের সিস্টেমে ঢুকে আপনার আপনার আই পি এড্রেস, মেইলের পাসওয়ার্ড, ফেসবুক পাসওয়ার্ড কনট্যাক্ট লিস্ট, গ্যালারী ফটো এমনকি আপনার ব্যাংক ইনফর্মেশান! আপনার লোকেশান ও তারা জেনে নিচ্ছে! আর এসব তারা করছে খুব কৌশলে।

‘ব্লু হোয়েল’ গেম ওপেন করা মাত্র আপনাকে একজন অ্যাডমিন পরিচালনা শুরু করবে। গেমটির প্রথম দশটা লেভেল খুবই আকর্ষনীয়। ইউজার অ্যাডমিন কিছু মজার মজার নির্দেশনা দেন – যেমন রাত তিনটায় ঘুম থেকে উঠে হরর ছবি দেখা, চিল্লাচিল্লি করা, উঁচু ছাদের কিনারায় হাঁটাহাঁটি করা, পছন্দের খাবার খাওয়া ইত্যাদি। এ কারণে গেমের প্রতি সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়েন কিশোর-কিশোরীরা। আর এই কৌশলেই অ্যাডমিন হাতিয়ে নেবেন আপনার পার্সোনাল ইনফরমেশন। যা চলবে ১৫ লেভেল পর্যন্ত।

এরপর শুরু হবে পরের লেভেলগুলো ভয়ংকর সব টাস্ক। ব্লেড দিয়ে হাতে তিমির ছবি আঁকা, সারা গায়ে আঁচড় কেটে রক্তাক্ত করা, কখনো ভোরে একাকি ছাদের কার্নিশে ঘুরে বেড়ানো, রেল লাইনে সময় কাটানো, ভয়ের সিনেমা দেখা ইত্যাদি। চ্যালেঞ্জ নেয়ার পর এসব ছবি কিউরেটরকে পাঠাতে হয়। একবার এই গেম খেললে কিউরেটরের সব নির্দেশই মানা বাধ্যতামূলক। তার শেষের দিকের লেভেলে আত্মনির্যাতনমূলক বিভিন্ন টাস্ক সামনে এলেও কিশোর-কিশোরীরা এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন যে, গেম ছেড়ে বের হতে পারে না। আর এরই মধ্যে কৌশল পরিবর্তন করে অ্যাডমিন। আপনি টেরই পাবেন না প্রথম বিশ ধাপে সংগ্রহ করে ফেলা আপনার তথ্যের উপর ভিত্তি করে আপনাকে মোহাক্রান্ত বা হিপনোসিস পদ্ধতি প্রয়োগ শুরু করা হবে। আপনি তখন ভাববেন এই গেম ছাড়া আপনার বেঁচে থাকা অসম্ভব। একই সঙ্গে পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দুর্ব্যবহারর মাধ্যমে আপনাকে কৌশলে নিঃসঙ্গ মানুষ বানিয়ে ফেলা হবে।

পঁচিশ লেভেলের পর নির্দেশনা আসবে মাদক বা ড্রাগ নেবার! এভাবেই সম্মোহিত করে করে আপনাকে তিরিশ লেভেল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে। আর ৩১তম লেভেলে আপনার নগ্ন ছবি চাওয়া হবে! আপনি হিপনসিস ও মাদকের কারণে নিজের নগ্ন ছবি পাঠাতেও চিন্তা করবেন না, ড্রাগ নেবার মাত্রা বাড়াতে থাকবেন আপনি!

এরপর নির্দেশনা আসবে আপনার ভালোবাসার মানুষের সাথে সেক্স করে গোপনে ছবি তুলে আপলোড করতে বা নিজের শরীরে একাধারে শ’ খানেক সুঁই ফোটাতে এবং ফটো আপলোড করে পাঠাতে। এভাবেই চলে যাবেন আপনি ৪০তম লেভেলে! এরপর আপনার জ্ঞান ফিরবে, বাঁচার আকুতি জানাবেন আপনি, কাঁদবেন আর কিন্তু অাপনার উপর চাপ দেবে এ্যাডমিন সকল গোপন তথ্য ছবি ফস করার ভয় দেখাবে পরে অাপনি হিপনটাইজ হয়ে ......তার সকল মেনে নিবেন এবং ৫০ তম ধাপে অাত্তহত্যা করে মৃত্যুর মধ্যদিয়ে গেম শেষ করবেন।
গেমের শেষ ধাপ অর্থাৎ ৫০তম ধাপে ইউজারদের এমন কিছু টাস্ক দেওয়া হয়, যা সম্পূর্ণ করা মানেই আত্মহত্যা। আর এর মাধ্যমেই ঘটে গেমের সমাপ্তি।

২০১৩ সালে F57 নামক রাশিয়ান একটি হ্যাকার টিম এই গেমটি তৈরি করেছিল। তবে ২০১৫ সালে VK. com নামক সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল জনপ্রিয়তা পায় এবং প্রচুর ডাউনলোড হয় গেমটি। রাশিয়ায় এই গেম খেলে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১৫১ জন এবং রাশিয়ার বাইরে মারা গেছে ৫০ জন।

ব্লু হোয়েলে আসক্তদের চিনবেন কীভাবে- যেসব কিশোর-কিশোরী ব্লু হোয়েল গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছে তারা সাধারণভাবে নিজেদের সব সময় লুকিয়ে রাখে। স্বাভাবিক আচরণ তাদের মধ্যে দেখা যায় না। দিনের বেশিরভাগ সময় তারা কাটিয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। থাকে চুপচাপ। কখনও আবার আলাপ জমায় অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে। গভীর রাত পর্যন্ত ছাদে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় অনেককে। একটা সময়ের পর নিজের শরীরকে ক্ষত-বিক্ষত করে তুলতে থাকে তারা।

এই মরণ ফাঁদ থেকে বাঁচার জন্য মনোবিজ্ঞানীরা কিছু পরামর্শ দিচ্ছেন। সেগুলো হচ্ছে-

প্রথমতো আপনাকেই সচেতন হতে হবে। কেন আপনি অপরের নির্দেশনায় কাজ করবেন। আপনি যাকে কখনও দেখেননি, যার পরিচয় জানেন না, তার কথায় কেন চলবেন বা তার কথামতো কেন কাজ করবেন- সেটি নিজেকেই চিন্তা করতে হবে। এরকম কোনো লিংক সামনে এলে তাকে এড়িয়ে চলতে হবে। সমাজের তরুণ-তরুণীদের মাছে এই গেমের নেতিবাচক দিক সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে হবে।

সন্তান, ভাই-বোন বা নিকটজনকে মোবাইলে ও কম্পিউটারে অধিক সময়ে একাকী বসে থাকতে দেখলে সে কী করছে, তার খোঁজ-খবর নিতে হবে। সন্তানকে কখনও একাকী বেশি সময় থাকতে না দেয়া এবং এসব গেমের কুফল সম্পর্কে বলা।

সন্তানদের মাঝে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মানসিকতা সৃষ্টি করা। যাতে তারা আত্মহত্যা করা বা নিজের শরীরকে ক্ষতবিক্ষত করা অনেক বড় পাপ- এটা বুঝতে পারে। সন্তান ও পরিবারের অন্য কোনো সদস্য মানসিকভাবে বিপর্যস্ত কিনা- সেদিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা। কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয় তাকে সঙ্গ দেয়া।

কৌতূহলি মন নিয়ে এই গেমটি খেলার চেষ্টা না করা। কৌতূহল থেকে এটি নেশাতে পরিণত হয়। আর নেশাই হয়তো ডেকে আনতে পারে আপনার মৃত্যু।

এ পর্যন্ত ব্লু হোয়েল পৃথিবীর কোন কোন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, তার সঠিক হিসাব নেই। তবে রাশিয়া, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, ব্রাজিল, বুলগেরিয়া, চিলি, চীন, ভারত, ইটালি, কেনিয়া, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, সৌদি আরব, সাইবেরিয়া, স্পেন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও উরুগুয়ে ব্লু হোয়েল শনাক্ত হয়েছে।

রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৭

Bangladesh এর GI পন্য ইলিশ, বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI)পন্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে ইলিশ মাছ।

ইলিশ মাছঃ
মাছের কথা বলতে গেলে ইলিশ এর নাম অাসে সবার অাগে।
ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenalosa illisha  বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ।   ইলিশ সুস্বাদু মাছ  হিসেবে  বিশ্বজোরা অাজকে  বাংলাদেশের  নাম    ইলিশের  জন্য খ্যাতি।
বাংলাদেশের মানুষের জীবন জাপনে অামিষের চাহিদা পূরন এবং সামুদ্রিক মৎস্য অাহরনের ক্ষেত্রে বিশাল অংশ জুরে ইলিশ মাছ। বাংলাদেশের লাখ লাখ জেলে  জিবিকা  নির্বাহ  করে ইলিশ  মাছ  ধরে।


                                         
নদীর তাজা  রুপালি ইলিশ
ইলিশ  উৎপাদনে  প্রথমঃ--
 বিশ্বের  ওয়াল্ড  ফিসের পর্যবেক্ষন  অনুযায়ী  বিশ্বের মোট  উৎপাদিত  ইলিশের ৬৫% পাওয়া  যায়  বংলাদেশে।ইলিশ পাওয়া  যায়  এমন  ১১ টি দেশের  মধ্যে ১০  দেশেই  উৎপাদন  কমছে  কিন্তু  খুশির সংবাদ যে বাংলাদেশে ৮ % থেকে ১০% হারে গত কয়েক বছরে  ইলিশের  উৎপাদন বাড়ছে।  বাংলাদেশের  মোট মৎস্য  উৎপাদনের  একক ইলিশের  অবদান  প্রায়  ২০% । বাংলাদেশের  মৎস্য গবেষনা ইনষ্টিটিউট এর  তথ্য  মতে অাগে দেশের  ২১ টি  নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া  যেত বর্তমানে ১২৫ টি  নদ  নদীতে পাওয়া  যাচ্ছে  ইলিশ মাছ। বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ধরে তিন  থেকে  চার লাখ  টনের  মধ্যে  ইলিশের উৎপাদন উঠানামা  করছে। গত ২০১৫-১৬  অর্থবছরে  ইলিশের উৎপাদন  ছিল  চার  লাখ টন। প্রচলিত  বাজারে  প্রতি  কেজি ইলিশ  ৬৫০  টাকা  ধরা হলে সংগৃহীত  ইলিশের  বাজার  মূল্য দাড়ায় প্রায় ৩০,০০০কোটি টাকা। বাংলাদেশ  প্রতিবছর ইলিশ  রপ্তানির  মাধ্যমে গড়ে ৪০০থেকে ৫০০  কোটি  টাকার মতো  বৈদেশিক  মুদ্রার  অায় হয়।  এছাড়া বাংলাদেশে ৫ থেকে প্রায়  ৬  লাখ  মানুষ ইলিশ  অাহরনে  জড়িত।  পরক্ষ  ভাবে  ২০থেকে  ২৫ লাখ  বা তারও  বেশী  লোক  ইলিশ  পরিবহন , বিক্রয় , জাল ,নৌকা ,বরফ  উৎপাদন, প্রকৃয়াজাত করন   সহ  বিভিন্ন  রফতানির কাজে  জড়িত।





GI পন্যঃ                                  
ইলিশ শুধুই বাংলা দেশের  সম্পদ  GI পন্য  হিসেবে  স্বকৃতি লাভ করছে।
 ইলিশ  মাছ  বাংলাদেশের দ্বিতীয়  GI  পন্য ।  অান্তর্জাতূিক ভাবে  ইলিশের  একক মালিকানা  পাওয়ার  লক্ষ্যে ১৪ই  নবেম্বর  ২০১৪  মৎস অধিদপ্তর  ইলিশকে  GI  পন্য হিসেবে  নিবন্ধত  করার  জন্য অনুষ্ঠানিক  ভাবে  অাবেদন করে। অাবেদনে  বাংলাদেশের  ইলিশের  জন্ম  ও  বিস্তার-সহ যাবতীয়  তথ্য  প্রমানাদি যাচাই-বাছাই  ও  বিশ্লেষণ  শেষে ১ লা জুন  ২০১৭  পেটেন্ট ডিজাইন ও  ট্রেডমার্ক  অধিদপ্তর  DPDT নিজস্ব  জার্নালে  ৪৯ পৃষ্ঠার একটি  নিবন্ধ  প্রকাশ করে।
 অাইন অনুসারে  নিবন্ধন প্রকাশিত  হওযার  দুই মাসের মধ্যে  দেশ  বা  বিদেশ  থেকে এ বিষয়  অাপত্তি  জানাতে  হয় ।          কিন্তু  কোন  ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ বিষয় কোন অাপত্তি জানায় নি। সে  অনুসারে ৬ই অাগষ্ঠ ২০১৭ ইং DPDT জাতীয় মাছ ইলিশকে  বাংলাদেশি পন্য হিসেবে বিশ্ব সীকৃতি অর্জনের কথা ঘোষনা করে।




যে ভাবে  লাববান  হবে বাংলাদেশঃ-   GI পন্য হিসেবে স্বকৃতি  লাভের  ফলে  ইলিশের নামে  বাংলাদেশের নাম উচ্চারিত হবে।  ইলিশের দেশ বাংলাদেশ  ফলে  বিশ্বের বাজারে ইলিশ বিপননের ক্ষেত্রে লাববান হবে।
১) সারা  বিশ্বেই  বাংলাদেশের ইলিশের পরিচিতি ও কদর বাড়বে।
২)বিশ্বের  যেখানেই  ইলিশ যাবে সেখানেই  বাংলাদেশের  নাম চলে  অাসবে  এর ফলে দেশের ঐতিহ্য অান্তর্জাতিক ভাবে প্রতিষ্ঠা পাবে।
Blogger monju
ইলিশ মাছ

দুধ নামে বিষ খাচ্ছেন অাপনি...?

অাপনি কি সচেতন বাংলাদেশের দুগ্ধ খামার থেকে শুরু করে দোকানের প্যা‌কেটজাত পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দুধ অত্যন্ত বিপজ্জজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন...