পৃথিবী কি অাজ ধ্বংশর দিকে এগুচ্ছে...?
অাজ অামেরিকা হুঙ্কার, তো কাল উত্তর কোরিয়ার হুমকি। শুধু কি তাই, প্রায় প্রতিদিনই নিত্যনতুন পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষায় মাতে উত্তর কোরিয়া সহ পাকিস্থান,ভারত রাশিয়া,চীন,ইরান, অামেরিকা সহ এই শক্তি পরীক্ষার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদ ভারতীয় বা পাকিস্তানি সম্পদ। এমনটা দাবি করছে প্রতিবেশী এবং পিয়ংইয়ংয়ের সবচেয়ে বড় বন্ধু চীনের। তাদের দাবি, এতে বদলে যাচ্ছে পর্বতের ভৌগোলিক অবস্থান, আয়তন সহ বন নদী আর তাতে শুধু উত্তর কোরিয়া নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চীনও এমন কি ২০৫০ সালে পৃথিবী হতেপারে চিরতরে ধ্বংশ।
বিজ্ঞানীদের দাবি, প্রতিবার পরমাণু পরীক্ষার জেরে ছোটবড় ভূকম্পে কেঁপে ওঠে উত্তর কোরিয়ার বিভিন্ন অংশ। সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পটি হয়েছিল পুনগেই-রি পরমাণু পরীক্ষার পরে। গত ৪ সেপ্টেম্বর মাউন্ট মান্তাপের নিচে পরীক্ষাটি হয়। সেই দিন হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে মাটি। উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছিল পাহাড়ে ধস নামার ছবি। রিখটার স্কেলে ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় চীনেও। এর পরেই পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, বদলে গিয়েছে ৭২০০ ফুট উঁচু মাউন্ট মান্তাপের অবস্থান।
বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন, ‘টায়ার্ড মাউন্টেন সিন্ড্রোম’। চীনা গবেষকদের আশঙ্কা, এ ভাবে চলতে থাকলে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে পারে মাউন্ট মান্তাপ। বিস্ফোরণের ফলে ভূগর্ভস্থ পাথরের বৈশিষ্ট্যের অদলবদল ঘটছে। চিড় ধরছে পাথরে, পৃথিবী বিপন্ন হতেপারে মানবতার ধ্বংশ ২০৫০ সালের মধ্যেই।
কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসমোলজিস্ট পল রিচার্ড বলেন, ‘পৃথিবীর কিছু কিছু অংশ এমনিতেই ভূমিকম্প-প্রবণ। তার উপরে লাগাতার বিস্ফোরণে পরিস্থিতি আরও খারাপ।’ তাদের আশঙ্কা, আরও ভয়াবহ ভূমিকম্পের সম্মুখীন হতে চলেছে কোরীয় উপদ্বীপ সহ পাকিস্থান ভারত সহ মধ্য এশিয়ান দেশগুলি।
২০০৬ সালে মোট ছয়টি পরমাণু পরীক্ষা করেছিল উত্তর কোরিয়া। সেগুলোর প্রায় সবকয়টিই করা হয় মাউন্ট মান্তাপের সুড়ঙ্গে। ওই এলাকাটি বিখ্যাত ‘পুনগেই-রি নিউক্লিয়ার টেস্ট ফেসিলিটি’ নামে। মাউন্ট মান্তাপের গতিবিধির উপরে তাই কড়া নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউজিল্যান্ডের ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভলক্যানোলজির অধ্যাপক কলিন উইলসনের দাবি, বারবার এই ধরনের পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা হতে থাকলে জেগে উঠতে পারে উত্তর কোরিয়া ও চীনের সীমান্ত থেকে মাত্র ৮০ মাইল দূরে অবস্থিত আগ্নেয়গিরি মাউন্ট পিকদুও ১৯০৩ সালের পর থেকে ঘুমিয়ে রয়েছে এই পর্বত।এদিকে হিমালয় পর্বত সহ ভারত সাগর সিন্ধু নদ,গঙ্গা-যমুনা ও বঙ্গপ সাগর হতেপারে বন্য প্রানী ও সামুদ্রিক জলজ প্রানির বিলুপ্তি।
জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে একের পর এক পরমাণু পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে কিম-জং-উনের দেশ। বরাবরই তাদের পাশে থেকেছে চীন পাকিস্থান। অামাদের এধরনের মরন খেলা থেকে বেরিয়ে অাশা উচিৎ সুন্দর একটি পৃথিবী চাই...!
ঘুম ভাঙ্গা পাখির ডাকে..!
শীতের কুয়াশা ভোর
২০৫০ এমন স্বপ্নঘোর।
#Blogger_monju
উত্তর কোরিয়ার নতুন অস্ত্র ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’
‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’ অস্ত্র দিয়ে আমেরিকার ৯০ ভাগ মানুষকে মেরে ফেলতে পারে উত্তর কোরিয়া। যে কোনো সময় এই অস্ত্র প্রয়োগ করে পিয়ংইয়ং আমেরিকাকে শেষ করে দিতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন প্রাক্তন সিআইএ কর্মকর্তা পিটার ভিনসেন্ট প্রাই।
ওই বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’ অস্ত্রে এক হাই ফ্রিকোয়েন্সির ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক পালস সমস্ত ইলেকট্রনিক জিনিসের কাজ করা বন্ধ করে দেবে। এমনকি মাঝ আকাশে বিমানও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
উত্তর কোরিয়া যদি আমেরিকায় ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস’ প্রয়োগ করে তবে আধুনিক প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল ৩২০ মিলিয়ন মানুষই সমস্যার শিকার হবেন। এক বছর ধরে স্তব্ধ হয়ে থাকতে পারে সব ইলেকট্রনিক্স জিনিস।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন