শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

Whey are the Rohingya....? রোহিঙ্গা Rohingya কারা..?


রোহিঙ্গা Rohinga ১৪৩০ খ্রিষ্টাব্দে অারাকানে মুসলমান দের অাগমন ঘটে। অারাকানের রাজা বৌদ্ধ ধর্মের হলেও তার মূদ্রার একপাশে অারবিতে কালেমা লেখা থাকত।অারাকান রাজার রাজ দরবারে কাজ করত অনেক বাংঙ্গালী মুসলমান  । বাংলার সাথে অারাকানের ছিল অনেক গভীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সু-সম্পর্ক।ধারনা করাহয় রাজার  মুসলমান শৈন্য-সমান্তর প্রতি গভীরতম সম্পর্ক থেকে একটি শহর এর নাম রোয়াং উপহার দেন। যেখানে মুসলিম নাবিক,শৈন্য -রাজ কর্মিরা এস্থানিয় নারীদের বিবাহ করে বসবাস শুরুকরে। রোয়াং নাম থেকে কালক্রমে মুসলিম বসবাস কারী দেরকে রোয়াইঙ্গিয়া  এর পর রোহিঙ্গা নামের উৎপত্তি।রোহিঙ্গা Rohingya  মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তর অংশে বসবাস কারী জনগোষ্ঠী।

রোহিঙ্গা (Rohingya)১৮২৬ সালের পর থেকে ব্রিটিশ শাসনামলে তিন ধাপে ধীরে ধীরে মুসলিম বসতি স্থাপন শুরু হয়। ১৮৯১ সালের ব্রিটিশ আদমশুমারি অনুযায়ী, আরাকানে তখন মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৫৮,২৫৫ জন, যা ১৯১১ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১,৭৮,৬৪৭ জনে।  বর্তমানে মায়ানমার সরকারী হিসেব মতে প্রায় অাট লক্ষ রোহিঙ্গা অারাকানে বসবাস করে।


মায়ানমার সরকারের মতে"রোহিঙ্গা হল বাংলাদেশী "তারা মনে করেন রোহিঙ্গা অবৈধ ভাবে মায়ানমারে বসবাস করছে। কিন্তু ইতিহাস বলে ভিন্ন কথা, রোহিঙ্গা কয়েক শতাব্দীকাল ধরে বসবাস করে অাসছে। মূলকথা রোহিঙ্গা বাংলাদেশি মুসলমান ও স্থানিয় অারাকানিদের সংমিশ্রনে সংকর জাতী।অনেকে মঙ্গলিয়া জাতি বলে ধারনা করেন।


ইতিহাস থেকে জানাযায় যে ফারাসি বারহাম নাম থেকে এসেছে ইংরেজি"বারমা" নামটি। পরবর্তীকালে বার্মা নামটি পাল্টে "মিয়ানমার" নাম করন কর হয়। মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসাবে স্বীকার না করায় সকল প্রকার নাগরিক ও মৌলিক সুবিধা হতে রোহিঙ্গারা বঞ্চিত। জাতিসংঘের তথ্য মতে রোহিঙ্গারা বর্তমানকালে বিশ্বের সবচেয়ে নির্যাতিত এবং ভূমিহিন রাষ্ট্রবিহিন জনগোষ্ঠী।


মায়ানমার সরকারি ভূমি ও সম্পত্তি অাইন অনুসারে বিদেশীরা কোন সম্পত্তি ও ভূমির মালিক হতে পারেনা। রোহিঙ্গা মায়ানমার সরকারের দৃষ্টিতে অবৈধ এবং বিদেশী। বর্তমানে যে সকল ভূমিতে রোহিঙ্গা বসবাস করছে মায়ানমার সরকার যে কোন মূহির্তে তা দখল করে অগ্নকান্ড,লুটপাট করে নিতেপারে অাইনত কেন জবাব দিতেহয় না।
মায়ানমার সরকারী অাইনে রোহিঙ্গা ভূমি হিন দেশ হিন ভাসমান যাযাবর এক জাতীর নাম। মায়ানমারে রোহিঙ্গা সরকারী কোন চাকরী পায়না।রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী  এমন কি সরকারি বেসরকারি  স্কুল,ব্যাংক,হাসপাতাল,বিমা সহ সকল প্রকার নাগরিক ও মৌলিক সবিধা সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়।প্রায় ৮০% রোহিঙ্গা বাস্তবিক অর্থে অশিক্ষিত বা নিরক্ষর ।প্রায়ই মায়ানমার সরকার কতৃক রোহিঙ্গা নিপীরন এর খবর পাওয়া যায়।বর্তমানে খুন, হামলায় সহ প্রায় মানব অধিকার সংগঠন এর মতে ৮থেকে১০ হাজার এরও বেশী  রোহিঙ্গা মৃত্যুর জন্য মায়ানমার সরকার তথা নোবেলজয়ী  সুচি কে পৃথিবী বেপি ঘৃনিত মানুষ হিসাবে মানবিক মূল্যায়ন থেকে নিন্দা   করাহয়।

রোহিঙ্গা শিশু-বৃদ্ধ,নর-নারী,
ধর্ষন, নিপিরন, অগ্নিকান্ড থেকে নিজেদের বাঁচতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া,পাকিস্থান সৌদিঅারব, থাইল্যান্ড এবং ভারতের পথে পা বাড়ায়।Rohingya নৌপথে সীমান্ত পাড়ী দিতে গিয়ে অসংখ্য রোহিঙ্গা ঢুবে মারা গেছে।


Rohingya

                                         রোহিঙ্গা
                                                                                Rohingya
                                              Rohingya in Bangladesh


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

দুধ নামে বিষ খাচ্ছেন অাপনি...?

অাপনি কি সচেতন বাংলাদেশের দুগ্ধ খামার থেকে শুরু করে দোকানের প্যা‌কেটজাত পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দুধ অত্যন্ত বিপজ্জজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন...